চট্টগ্রামে তরল কোকেন আটকের ঘটনায় আদালতে দাখিল করা অভিযোগত্রের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুনানিতে অভিযোগপত্র গ্রহণ না করে অধিকতর তদন্তের জন্য র্যা বকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
সোমবার চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম রহমত আলীর আদালত এ নির্দেশ দেন।
এর আগে গত ১৯ নভেম্বর আটজনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়।
সিএমপির অতিরিক্ত উপ কমিশনার (প্রসিকিউশন) কাজী মুত্তাকী ইবনু মিনান সাংবাদিকদের, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের সহকারি কমিশনার (উত্তর) মো. কামরুজ্জামানের উপস্থিতিতে শুনানি হয়েছে।
অভিযোগপত্র গ্রহণ না করে এজাহারে ১নং আসামি নূর হোসেনকে বাদ দেয়ায় আদালত অধিকতর তদন্তের জন্য র্যা বকে নির্দেশ দিয়েছে বলে জানান তিনি।
উল্লেখ, পুলিশের কাছ থেকে তথ্য পেয়ে তরল কোকেন সন্দেহে গত ৬ জুন রাতে চট্টগ্রাম বন্দরে একটি কন্টেইনার সিলগালা করে শুল্ক গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। ৮ জুন এটি খুলে ১০৭টি ড্রামের প্রতিটিতে ১৮৫ কেজি করে সানফ্লাওয়ার তেল পাওয়া যায়। তেলের নমুনা প্রাথমিক পরীক্ষা করে কোকেনের অস্তিত্ব পাওয়া না গেলে উন্নত ল্যাবে কেমিক্যাল পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়।
এ বছরের ২৭ জুন শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর জানায়, কেমিক্যাল পরীক্ষায় একটি ড্রামে তরল কোকেনের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। ২৮ জুন নগরীর বন্দর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ওসমান গনি বাদি হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ১৯ এর ১(খ) ধারায় মামলা দায়ের করেন। আদালতের নির্দেশে পরে মামলায় চোরাচালানের ধারাও যুক্ত করা হয়।