মুক্তিযুদ্ধের সময় ১৯৫ পাকিস্তানি সেনার যুদ্ধাপরাধের তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা।
বুধবার সকালে তদন্ত সংস্থার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানান সংস্থার প্রধান সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান খান।
এ সময় তিনি মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্তের স্বার্থে ট্রাইব্যুনালের কাজের পরিসর বাড়ানো এবং কার্যালয় বৃদ্ধির কথাও বলেন।
১৯৭১ স্বাধীনতার পর ত্রিদেশীয় সিমলা চুক্তির আওতায় বিচার করা হবে জানিয়ে পাকিস্তান চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধী ১৯৫ জন পাকিস্তানি সেনা কর্মকর্তাকে ফিরিয়ে নিয়ে যায়।
কিন্তু পাকিস্তান সরকার স্বাধীনতার ৪৪ বছর পরেও ওই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্পন্ন করেনি বলে জানান তিনি।
বাংলাদেশ এসব যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবি জানিয়ে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। ১৯৫ জন পাকিস্তানি সেনার যুদ্ধাপরাধ বিচারে প্রাথমিকভাবে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা ৫ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে।
এদিকে, রাজধানীতে স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ থেকে যেসব চিহ্নিত পাকিস্তানি যুদ্ধাপরাধী সেনা কর্ম+কর্তাদের ফিরিয়ে নেয়া হয়েছিল তাদের ৩১ মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রতীকী বিচার করা হবে বলে জানিয়েছেন নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান।
দেশের মাটিতে আর কোনো স্বাধীনতা বিরোধীদের রাজনীতি করতে দেয়া হবে না বলেও জানান তিনি।
রাজধানীতে শ্রমিক কর্মচারী পেশাজীবী মুক্তিযোদ্ধা সমন্বয় পরিষদের র্যা লিতে তারা এসব কথা বলেন।
সকালে রাজধানীর মতিঝিলে ১৯৫ জন চিহ্নিত পাকিস্তানি সেনা কর্মকর্তাদের বিচারসহ অন্যান্য দাবিতে র্যা লির আয়োজন করে শ্রমিক কর্মচারী পেশাজীবী মুক্তিযোদ্ধা সমন্বয় পরিষদ।
এর আগে এক সমাবেশে দেশের মাটিতে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবেই বলে জানান নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাহজাহান খান।
বিএনপি-জামাত যতই ষড়যন্ত্র করুক না কেন দেশের মানুষ তা রুখে দেবে বলে মন্তব্য করেন নারী নেত্রী শিরিন আখতার।