এগারো বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো শেষ হয়নি সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া হত্যা মামলার তদন্ত কাজ।
পুলিশের তৃতীয় দফা তদন্ত রিপোর্টের পর ২০১৪ সালের ২১ ডিসেম্বর বিএনপি নেতা হারিছ চৌধুরী, সিলেটের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান মেয়র জি কে গউছ, হুজি নেতা হাফেজ মো. ইয়াহিয়াসহ ৩২ জনকে আসামী করে চার্জশিট দেয়া হয়।
দ্রুতবিচার আইন ও বিষ্ফোরক দ্রব্য আইনে আলাদা দুটি মামলার বিচারকার্য শুরু হলেও দ্রুত বিচার কাজ শেষ হওয়া নিয়ে এখনো সংশয় রয়ে গেছে।
২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি হবিগঞ্জের বৈদ্যেরবাজারে আওয়ামী লীগের এক সমাবেশে গ্রেনেড হামলায় শাহ এএমএস কিবরিয়াসহ ৫ জন নিহত হন।
ওই হত্যাকাণ্ডের ঘটনার মামলায় প্রথম দফা তদন্ত শেষে ২০০৫ সালে সম্পূরক অভিযোগপত্র দেয়া হলে তা নিয়ে তার পরিবারের সদস্যরা প্রশ্ন তুললে অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেয় আদালত।
দ্বিতীয় দফা অধিকতর তদন্ত শেষে ২০১১ সালের ২০ জুন আবারো চার্জশিট দেয়া হয়। এ দফায়ও নারাজি আবেদন করা হলে সিআইডিকে তৃতীয় দফায় তদন্তের নির্দেশ দেয় আদালত।
২০১৪ সালের ২১ ডিসেম্বর তৃতীয় দফা তদন্ত শেষে সম্পূরক চার্জশিট দেয়া হয়। নতুন এ চার্জশিটে বিএনপি নেতা হারিছ চৌধুরী, সিলেটের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী ও হবিগঞ্জের পৌর মেয়র জিকে গউছসহ ৩৫ জনকে আসামি করা হয়। এ মামলায় এরইমধ্যে আরিফুল হক ও জিকে গউছ কারাগারে রয়েছেন।
প্রায় ১০ বছর পর এ মামলার বিচার শুরু হয়েছে। এ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচারের দাবি সেদিনের আহত নিহতের স্বজনদের।