সাভারে রানা প্লাজার ধসের ঘটনায় করা হত্যা মামলার আসামি ইমারত পরিদর্শক আওলাদ হোসেনকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।
সোমবার ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম শাহজাদি তাহমিদা জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
সংশ্লিষ্ট আদালত পুলিশের প্রসিকিউসন বিভাগের পরিদর্শক মো. আসাদুজ্জামান বলেন, রানা প্লাজার ঘটনায় হত্যা মামলায় ভবনমালিক রানা ও ইমারত পরিদর্শক আওলাদসহ ২৭ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
গত ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল সাভারে নয় তলা ভবন রানা প্লাজা ধসে পড়লে ১১৩৬ জন মারা যান। আহত হন ১৫২৪ জন।
ভবন ধসে প্রাণহানির এ ঘটনায় 'অবহেলাজনিত মৃত্যুর' অভিযোগে সাভার মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন এসআই ওয়ালী আশরাফ।
এদিকে, ইমারত বিধি মেনে রানা প্লাজা নির্মাণ করা হয়নি- এমন অভিযোগে আরেকটি মামলা করেন রাজউকের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হেলাল আহমেদ।
গতবছর ১ জুন দুই মামলায় পৃথক দুটি অভিযোগপত্র দেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) জ্যেষ্ঠ এএসপি বিজয় কৃষ্ণ কর।
গতবছর ২১ ডিসেম্বর হত্যা মামলা এবং ০৮ জুলাই ইমারত আইনের মামলার চার্জশিট আমলে নেয় আদালত।
দুই মামলার দুই অভিযোগপত্রে রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানা ও তার বাবা-মাসহ মোট ৪২ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে দণ্ডবিধির মামলায় ৪১ জন ও ইমারত নির্মাণ আইনের মামলায় ১৮ জন আসামি রয়েছে।
মাহবুবুল আলম নামক একজন গার্মেন্টস ব্যবসায়ীকে দণ্ডবিধির মামলায় আসামি করা হয়নি। ফলে দুটি মামলা মিলিয়ে আসামি মোট ৪২ জন।
আসামিদের মধ্যে কারাগারে রয়েছেন সোহেল রানাসহ ৬ জন। জামিনে রয়েছেন ১৬ জন এবং এখনও পলাতক ২০ জন। পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি ও মালামাল ক্রোকের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।