বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় আদাবর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রতন কুমার হালদারের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দিয়েছে।
মঙ্গলবার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক সালেহ উদ্দীন আহমেদ এ আদেশ দেন।
গ্রেপ্তারি পরোয়ানা সংক্রান্ত হালনাখাদ তথ্য আগামী ১৬ মার্চে আদালতে দাখিল করতে বলা হয়েছে।
গত ১০ ফেব্রুয়ারি ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম শেখ হাফিজুর রহমান ঢাকার ৪ নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বিচার বিভাগীয় তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন।
গত ৩১ জানুয়ারি ঘটনার পরদিন ওই ছাত্রী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ঢাকা-৪ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে নালিশি মামলা করেন।
ভুক্তভোগী আশা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের ছাত্রী।
তিনি বলেন, ঘটনার দিন বেলা ৩টার দিকে রিকশায় করে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মোহাম্মদপুরের দিকে যাওয়ার সময় শিয়া মসজিদ সিগন্যালের কাছে একটি মোটরসাইকেলে পুলিশের তিন সদস্য তার পথ রোধ করেন।
রিকশাভাড়া না দিয়েই তাকে নামতে বাধ্য করেন— এরপর তাকে একটি বৈদ্যুতিক সরঞ্জামের দোকানে নিয়ে যান। ওই দলটির নেতৃত্বে ছিলেন এসআই রতন কুমার। তিনি ওই ছাত্রীকে ইয়াবা ব্যবসায়ী হিসেবে সাব্যস্ত করার চেষ্টা করেন। ভ্যানিটি ব্যাগ ও জ্যাকেট খুলে কথিত ইয়াবা খোঁজা শুরু করেন রতন। ওই দোকানের কর্মীদেরও বের করে দেয়া হয়।
ওই ছাত্রীর অভিযোগ, একপর্যায়ে এসআই রতন তাকে বিভিন্ন ধরনের বাজে কথা বলেন। ওই ছাত্রী পুলিশের ঊর্ধ্বতনদের কাছে এর বিচার দেবেন বলেও ভয় দেখান। তখন এসআই রতন বলেন, কেউই তার কিছু করতে পারবে না।