মামলাজট কমাতে সান্ধ্যকালীন আদালত প্রতিষ্ঠার আগে বিচারকদের সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি বিচারপ্রার্থী ও আসামিদের নিরাপত্তার বিষয়সহ আরো কিছু বিষয়ে বিশদ আলোচনার প্রয়োজন আছে বলে মনে করেন আইনজ্ঞরা।
তারা বলেন, দেশে আইনের শাসনকে আরো সংহত করতে আদালত চালু করার বিষয়টি কতো দ্রুত বাস্তবায়ন করা যায় সে বিষয়ে সরকারকেই পদক্ষেপ নিতে হবে।
ষোল কোটি মানুষের দেশে মাত্র ১৬শো জন বিচারক নিতান্তই অপ্রতুল। বিচারকক্ষের স্বল্পতাও রয়েছে এদেশে। এতে, জটে আটকে আছে ত্রিশ লাখ মামলা। মামলাজট নিরসনে আইনজীবী ও সরকারের সাড়া পাওয়া গেলে শিগগিরই দেশে সান্ধ্য আদালত চালু করা হবে। শুক্রবার সাভারে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আয়োজিত এক কর্মশালায় এসব কথা বলেন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা।
প্রধান বিচারপতির এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নব-নির্বাচিত সভাপতি ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন দেশ টিভিকে বলেন, আদালত শুরু করার আগে বিচারকদের সংখ্যা বাড়াতে হবে নইলে সুষ্ঠুভাবে বিচারকাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হবে না।
শুধু আদালত চালু করলেই হবে না বিচারপ্রার্থী ও আসামিদের নিরাপত্তার বিষয়সহ আরো কিছু বিষয়ে বিশদ আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করেন বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সহ-সভাপতি আবদুল বাসেত মজুমদার।
এ সময় তিনি বলেন, দরকার হলে মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করতে সান্ধ্যকালীন আদালতে আইনজীবীদের মধ্যে থেকে বিচারক নিয়োগ করা যেতে পারে।