নারাগঞ্জের পিয়ার আলী সাত্তার লতিফ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্তকে লাঞ্চনার ঘটনায় দাখিল করা প্রতিবেদন গ্রহণ করেনি হাইকোর্ট। আগামী ৮ জুনের মধ্যে বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দিতে নারায়ণগঞ্জ প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
রোববার দুপুরে বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।
গত ১৮ মে শিক্ষক লাঞ্চনার ঘটনায় স্থানীয় সংসদ সদস্য সেলিম ওসমানসহ দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা কেনো নেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করে হাইকোর্ট বেঞ্চ। নারায়ণগঞ্জের প্রশাসনকে দুই সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতেও বলা হয়।
আজ দাখিল করা এই প্রতিবেদনটিকে দায়সারা হিসেবে অভিহিত করে পুনরায় তা বিস্তারিত আকারে দেয়ার নির্দেশ দেয় আদালত।
গত ৮ মে বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে শাসন করার সময় শিক্ষক শ্যামল কান্তি ‘ধর্মীয় কটূক্তি’ করেন বলে অভিযোগ ওঠে। পরে গত শুক্রবার (১৩ মে) বিদ্যালয়ে পরিচালনা কমিটির সভা চলাকালে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে তার শাস্তির দাবিতে লোক জড়ো করা হয়। এরপর উত্তেজিত লোকজন তাকে মারধর করেন।