চট্টগ্রামে বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরীকে চকবাজার ও কোতয়ালী থানায় দায়ের করা ২টি নাশকতার মামলায় শ্যোন অ্যারেস্ট দেখিয়েছে আদালত। এ সময় ২টি মামলায় তাকে আদালতে নিয়ে গিয়ে জামিন আবেদন করা হলে আদালত তা নাকচ করে দেয়।
বুধবার দুপুরে আসলাম চৌধুরীকে চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম হারুণ অর রশিদের আদালতে হাজির করে কোতয়ালী ও চকবাজার থানার ২টি নাশকতার মামলায় গ্রেপ্তার করার আবেদন জানানো হয়।
এ সময় আসামী পক্ষ থেকে ২টি মামলায় জামিন আবেদন করা হলে আদালত ২টি জামিন আবেদনই নামঞ্জুর করে দেয়।
এর আগে ৩১ মে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরীর ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত।
ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের সঙ্গে যোগসাজসে সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্রের অভিযোগে আসলাম চৌধুরীর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা করে পুলিশ।
গত ১৫ মে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকা থেকে বাংলাদেশের সরকার উৎখাতে ইসরায়েলের সঙ্গে ‘ষড়যন্ত্রে’ জড়িত থাকার অভিযোগে আসলাম চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ।
এর আগে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আসলাম চৌধুরীসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়। ইসরায়েলের লিকুদ পার্টির নেতার সঙ্গে বৈঠকের অভিযোগে আসলাম চৌধুরীকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেয় সরকার। দেশের প্রতিটি বিমানবন্দর ও স্থলবন্দরে সতর্কবার্তা পাঠায় গোয়েন্দা সংস্থা।
গত ২৪ মে আসলাম চৌধুরীকে নাশকতার দুই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এ দুই মামলায় দশ দিন করে রিমান্ড চাওয়া হলে আদালত শুনানির জন্য ৩০ মে দিন ধার্য করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়। এর আগে সাত দিনের রিমান্ড শেষে ওই দিন দুপুরে আসলাম চৌধুরীকে আদালতে হাজির করা হয়।
সম্প্রতি ইসরায়েলে ক্ষমতাসীন লিকুদ পার্টির সদস্য মেন্দি এন সাফাদির সঙ্গে আসলামের একটি ছবি গণমাধ্যমে প্রকাশের পর তোলপাড় শুরু হয়। ইসরায়েলের নেতার সঙ্গে তিনি ষড়যন্ত্রমূলক বৈঠক করেছেন বলেও গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়। তবে আসলাম ইসরায়েলি নেতার সঙ্গে বৈঠকের কথা অস্বীকার করে ব্যবসায়িক কারণে বিভিন্নজনের সঙ্গে তার দেখা হওয়ার কথা বলেছিলেন।