নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুনের মামলায় আরো ৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা করা হয়েছে। এদের মধ্যে তৎকালীন সময়ে বিভিন্ন মোবাইল সীম নেটওয়ার্ক অপারেটর কোম্পানিতে কর্মরত একাধিক কর্মকর্তাও আছেন।
সোমবার সকাল নয়টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ এনায়েত হোসেনের আদালতে আসামীদের সাক্ষ্যগ্রহণ ও জারা করা হয়।
আসামীরা হলো: এয়ারটেল কোম্পানির এনআইসি শাহরিয়ার আহমেদ, বাংলালিংকের রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার হোসেন আরা হক, ডিবি পুলিশের কনস্টেবল সাইফুল ইসলাম, ডিবির ঝাড়ুদার মেহেদী হাসান মিন্টু, দুই পুলিশ কনস্টেবল হাওলাদার ওমর, রফিকুল ইসলাম ও সে সময়ে র্যা ব-১১তে কর্মরত হাবিলদার কামালউদ্দিনের স্বাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।
পরে, আসামীপক্ষের আইনজীবিদের জেরা শেষে আদালত আগামী ১৬ জুলাই সাক্ষীদের পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ ধার্য করা হয়।
এর আগে, সকালে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে সাত খুন মামলার প্রধান আসামী নূর হোসেন ও র্যা বের সাবেক তিন কর্মকর্তা, লে. কর্নেল তারেক সাঈদ মোহাম্মদ, কমান্ডার এম এম রানা ও মেজর আরিফ হোসেনসহ ২৩ আসামীকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে, আসামিদের উপস্থিতিতেই স্বাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।
উল্লেখ. ২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র নজরুল ইসলাম, সিনিয়র আইজীবী অ্যাডভোকেট চন্দন সরকারসহ ৭জনকে অপহরণের পর হত্যা করা হয়। পরে ৩০ এপ্রিল শীতলক্ষ্যা নদী থেকে তাদের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ব্যাপারে দায়ের করা দুটি মামলায় এম এম রানাসহ ২৪ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।