চট্টগ্রামে কুকুর লেলিয়ে ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থী হিমাদ্রী মজুমদার হিমু হত্যা মামলায় পিতা-পুত্রসহ পাঁচজনকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছে আদালত।
রোববার বিকালে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ নুরুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।
এর আগে ‘ফুল কোর্ট রেফারেন্সের’ কারণে বৃহস্পতিবার আদালত বসে নি। সে কারণে রায় ঘোষণা হয় নি।
এর আগে গত ২৮ জুলাই রায় ঘোষণার দিন নির্ধারিত ছিল—বিচারক ছুটিতে থাকায় তা পিছিয়ে ১১ আগস্ট করা হয়।
গত বছরের ১০ সেপ্টেম্বর এ মামলার যুক্তি উপস্থাপন শুরু হয়ে ১৬ জুলাই শেষ হয়। মৃত্যুর আগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হিমু যে বক্তব্য দিয়েছিলেন, তার রেকর্ড গতবছর ১৪ অক্টোবর ও এ বছর ৩০ জুন আদালতে তা বাজিয়ে শোনানে হয়।
উল্লেখ, ২০১২ সালের ২৭ এপ্রিল নগরীর পাঁচলাইশ এলাকায় আসামি শাহ সেলিম টিপুর বাড়ির ছাদ থেকে হিংস্র কুকুর লেলিয়ে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়া হয় শিক্ষার্থী হিমুকে। আহত অবস্থায় ২৬ দিন চিকিৎসার পর ২৩ মে তার মৃত্যু হয়।
হিমু খুনের ঘটনায় তার মামা শ্রীপ্রকাশ দাশ বাদী হয়ে পাঁচলাইশ থানায় পাঁচ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন। ২০১২ সালের ৩০ অক্টোবর পুলিশ পাঁচজনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়।
আসামিরা হল:- জাহিদুর রহমান শাওন, জুনায়েদ আহমেদ রিয়াদ, তার বাবা শাহ সেলিম টিপু, শাহাদাত হোসেন সাজু ও মাহবুব আলী ড্যানি।
তাদের মধ্যে টিপু, ড্যানি ও সাজু কারাগারে, শাওন জামিন নিয়ে এবং রিয়াদ শুরু থেকেই পলাতক।
অভিযোগপত্র দেয়ার প্রায় দেড় বছর পর ২০১৪ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেয় আদালত। সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয় ২০১৪ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি।