দুর্নীতির মামলায় তিন বছরের সাজার রায়ের বিরুদ্ধে সাবেক স্বৈরশাসক এইচ এম এরশাদের করা আপিল শুনানির উদ্যোগ নিয়েছে দুদক।
দুই যুগ আগে ১৯৯২ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি ওই মামলায় বিচারিক আদালত এরশাদকে তিন বছরের সাজা দিয়েছিলেন।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি ভবানী প্রসাদ সিংহের হাইকোর্ট বেঞ্চে এ শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান এ মামলায় আপিল শুনানির দিন ধার্য করতে সোমবার হাইকোর্টের ওই বেঞ্চে আবেদন জানানো হয়েছে। পরে শুনানির দিন ধার্যের জন্য মামলাটি ওই বেঞ্চে মঙ্গলবারের কার্যতালিকায় আসবে।
দুদকের কৌঁসুলি খুরশীদ আলম খান বলেন, ১৯৯২ সালের এরশাদ নিম্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেছিলেন। দুদক এতে ২০১২ সালে পক্ষভুক্ত হয়। আজ এ আপিলের শুনানির জন্য বিচারপতি ভবানী প্রসাদ সিংহের নেতৃত্বাধীন একক বেঞ্চে আবেদন উপস্থাপন করেছি। কাল (মঙ্গলবার) বিষয়টি কার্যতালিকায় আসবে।
১৯৮৩ সালের ১১ ডিসেম্বর থেকে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি থাকাকালে পাওয়া বিভিন্ন উপহার রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা না দেয়ার অভিযোগে ১৯৯১ সালের ৮ জানুয়ারি তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরোর উপপরিচালক সেনানিবাস থানায় মামলাটি করেন। মামলায় ১ কোটি ৯০ লাখ ৮১ হাজার ৫৬৫ টাকার আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ আনা হয়।
ওই মামলায় ১৯৯২ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের রায়ে এরশাদের তিন বছরের সাজা হয়। একই সঙ্গে ওই অর্থ ও একটি টয়োটা ল্যান্ডক্রুজার গাড়ি বাজেয়াপ্ত করারও নির্দেশ দেয়া হয়। এ রায়ের বিরুদ্ধে এরশাদ ১৯৯২ সালে হাইকোর্টে আপিল করেন। আদালত আপিল গ্রহণ করে রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত করেন ও নিম্ন আদালতের নথি তলব করেন।