বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) দশ বছর আগে নিয়োগ পাওয়া ১১০ জন চিকিৎসক আপিলের অনুমতি পেয়েছেন।
রোববার প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের পাঁচ সদস্যের বেঞ্চ এ আদেশ দিয়েছে।
আপিল বিভাগের দেয়া এ আদেশ পুনর্বিবেচনা চেয়ে ১১০ চিকিৎসকের করা পৃথক রিভিউ আবেদন গ্রহণ করেছে।
হাইকোর্টে তাদের নিয়োগ অবৈধ ঘোষিত হয়েছিল— এর বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করলে তাও খারিজ হয়ে যায়।
রিভিউ আবেদনকারীদের চার সপ্তাহের মধ্যে আপিলের সংক্ষিপ্ত সার জমা দিতে বলা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে এই সময়ের পরে আরো দুই সপ্তাহের মধ্যে আপিলের সংক্ষিপ্ত সার দিতে হবে।
আদালতে ১১০ চিকিৎসকের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ড. কামাল হোসেন আর তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী এ এম আমিন উদ্দিন ও শরীফ ভূঁইয়া। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মাহবুবে আলম ও তানজিবুল আলম।
পরে শরীফ ভূঁইয়া সাংবাদিকদের বলেন, আদালত রিভিউ আবেদনটি গ্রহণ করেছে এবং আপিল করার অনুমতির এখন এর ওপর শুনানি হবে।
উল্লেখ, ২০০৫ সালের ১৮ অক্টোবর চিকিৎসক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেয় বিএসএমএমইউ কর্তৃপক্ষ। এর সূত্র ধরে ২০০৫ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০০৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত কয়েক শত চিকিৎসককে নিয়োগ দেয়া হয়। ওই বিজ্ঞপ্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) বর্তমান সভাপতি অধ্যাপক এম ইকবাল আর্সলান।
এই রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে হাইকোর্ট নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অবৈধ ঘোষণা করেন। এই রায়ের বিরুদ্ধে নিয়োগপ্রাপ্ত চিকিৎসকেরা আপিলের অনুমতি (লিভ টু আপিল) করেন। শুনানির পর আপিল বিভাগে এই আবেদন খারিজ হয়। এই খারিজের আদেশ পুনর্বিবেচনা চেয়ে ১১০ জন চিকিৎসক আবেদন (রিভিউ) করেন।