একাত্তরের ঘাতক মীর কাসেম আলীসহ গত তিন বছরে মুক্তিযুদ্ধের সময় শীর্ষ ছয় মানবতাবিরোধী অপরাধীর ফাঁসির রায় কার্যকর হয়েছে।
এছাড়া রায় পুনর্বিবেচনার আবেদনের শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে আমৃত্যূ কারাদণ্ডে দণ্ডিত রাজাকার দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মামলা। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ২৫টি রায়ের মধ্যে ১৭টির বিরুদ্ধে আপিল হয়েছে।
মানবতাবিরোধী অপরাধে আল বদর কমাণ্ডার মীর কাসেম আলীর আপিল ও রিভিউ আবেদন নিষ্পত্তিরর মধ্যেদিয়ে এ পর্যন্ত ৮টি মামলা নিষ্পত্তির পাশাপাশি কার্যকর করা হয়েছে ৫টি মামলার রায়।
এর মধ্যে ২০১৩ সালে যুদ্ধাপরাধী আব্দুল কাদের মোল্লার এবং গত বছর দুই বদর কমান্ডার কামারুজ্জামান ও আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ ও যুদ্ধাপরাধী সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। আর ২০১৬ সালের ১১ মে কার্যকর করা হয় আল বদর প্রধান মতিউর রহমান নিজামীর রায়।
এছাড়া আপিল শুনানির সময় রাজাকার শিরোমণি গোলাম আযম ও আব্দুল আলীম মারা যাওয়ায় তাদের আপিল অকার্যকর হয়ে যায়। এছাড়া রাজাকার দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে।
এখন শুনানি শুরুর অপেক্ষায় রয়েছেন আরো ৮ মানবতাবিরোধী অপরাধীর।
তারা হলেন: এ টি এম আজহারুল ইসলাম, আব্দুস সুবহান, মোবারক হোসেন, সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সার, মাহিদুর রহমান, ফোরকান মল্লিক ও আকরাম হোসেন।
এছাড়া চারটি যুদ্ধাপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল থেকে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া পলাতক ৫ আসামি আপিল করেননি।
তারা হলেন, বাচ্চু রাজাকার, বদর বাহিনীর নেতা চৌধুরী মঈনুদ্দিন ও আশরাফুজ্জামান খান, খোকন রাজাকার ও রাজাকার সৈয়দ হাসান আলী।