চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবী মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) পাঁচ জনের বিরুদ্ধে ঢাকার একটি আদালতে নালিশি মামলায় অভিযোগ এনেছেন।
আদালত আইনজীবী কুতুব উদ্দিন আহমেদের জবানবন্দি রেকর্ড করে আদেশের জন্য অপেক্ষমাণ রেখেছে।
সকালে বাড়ি দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগে মোহাম্মদপুর থানার ওসিসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয় সিএমএম আদালতে।
রোববার ঢাকা আইনজীবী সমিতির সদস্য অ্যাডভোকেট কুতুব উদ্দিন আহমেদ বাদী হয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে এ মামলা দায়ের করেন।
আসামিরা হলেন, মোহাম্মদপুর থানা ওসি মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন মীর, উপ-পরিদর্শক মো. রাজীব, সহকারী উপ-পরিদর্শক মো. খোরশেদ, নূর আলী রিয়েল এস্টেটের কর্মকর্তা মো. মামুন হোসেন এবং মো. সোহেল।
মামলার নথিতে বলা হয়, গত ৯ অক্টোবর বাদী রাজধানীর শংকরে নিজ বাড়িতে মালামাল তুলতে বাধা দেয় আসামিরা। এ সময় তারা ৪৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। এতে আরো বলা হয়, চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে মামলা ও রিমান্ডে নিয়ে ক্রসফায়ারে দেয়ার হুমকি দেয় আসামিরা। মামালায় সাক্ষী করা হয়েছে ৬জনকে।
এ বিষয়ে মোহাম্মদপুর থানার ওসি জামাল উদ্দিন বলেন, আইনজীবী কুতুব উদ্দিন আহমেদ যে অভিযোগ এনেছেন, তা পুরোপুরি মিথ্যা।
বরং ৯ অক্টোবর কুতুব উদ্দিন আহমেদ ওই বাড়ি জোর করে দখল করতে আসেন এবং কয়েকজনকে মারধর করেন— এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর থানায় একটি মামলাও হয়েছে সেই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হবে।
কুতুব উদ্দিন আহমেদ তার আরজিতে বলেন, ওই বাসার আসল মালিক ছিলেন তার মা জোবেদা আহমেদ। জোবেদা আহমেদ দখল থাকা অবস্থায় ২০০৮ সালের ৮ মার্চ কুতুব উদ্দিন আহমেদের নামে হেবা দলিল করে দেন। এই আটতলা ভবন সংস্কারের জন্য তিনি ভাড়া বাসায় থাকেন। সংস্কারকাজ শেষ হওয়ায় ৯ অক্টোবর তিনি মালামাল নিয়ে বাসায় উঠতে যান তখন তারা বাধা দেন।