পুরনো হাইকোর্ট ভবন থেকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সরিয়ে না নিতে সুপ্রিম কোর্টের প্রতি সরকারের আবেদন জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন বলে মনে করছেন যুদ্ধাপরাধ নিয়ে কাজ করা সংশ্লিষ্টরা।
তারা বলেন, ট্রাইব্যুনাল সরানোর বিষয়টি নিয়ে আরো বিচার-বিশ্লেষণের দরকার রয়েছে। বিচারকাজ শেষ হলে এ ভবনটিকে পরবর্তীতে জাদুঘর করার পরামর্শও দেন তারা।
গত ২৩ আগস্ট মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচারের জন্য গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালকে পুরনো হাইকোর্ট ভবন থেকে ৩১ অক্টোবরের মধ্যে সরিয়ে নিতে আইন মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেয় সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। এতে কারণ হিসেবে বলা হয়, হস্তান্তরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।
এ বিষয়ে রোববার সুপ্রিম কোর্ট বরাবর একটি চিঠি পাঠায় আইন মন্ত্রণালয়। এতে বলা হয়, দেশের জনগণ চায় এ ভবনটি ঐতিহাসিক স্থাপনা হওয়ায় সে মর্যাদা সমুন্নত রেখে ভবনটি সংরক্ষণ করা হোক এবং ট্রাইব্যুনাল এখান থেকে সরানো না হোক।
এটি সরানো হলে জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হবে উল্লেখ করে চিঠিতে আরো বলা হয়, এমন সিদ্ধান্ত দেশের সঠিক উন্নয়নের ধারাবাহিকতার ক্ষেত্রেও প্রতিবন্ধকতা তৈরি করবে। ফলে ভবন হস্তান্তর করার বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।
বিচারকাজ শেষ হলে ভবনটিকে পরবর্তী প্রজন্মের জন্য জাদুঘরে রূপান্তর করার কথা জানান ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর তুরিন আফরোজ।
আর আইন মন্ত্রণালয়ের এ চিঠি জনসাধারণের ইচ্ছে উল্লেখ করে বিষয়টি নিয়ে আরো গভীর ভাবে চিন্তা করা উচিত বলে মনে করেন বিশিষ্টজনেরা।