দুর্নীতি মামলায় নিম্ন আদালতের সাজার রায়ের বিরুদ্ধে সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের আপিল শুনানি পিছিয়ে আগামী ৩০ নভেম্বর দিন ঠিক করেছে আদালত।
মঙ্গলবার বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুসের একক বেঞ্চ শুনানির জন্যত এ আদেশ দিয়েছে।
এরশাদের আইনজীবী শেখ সিরাজুল ইসলাম চার সপ্তাহের সময়ের আবেদন করেন।
দুদকের আইনজীবী হিসেবে আদালতে উপস্থিত ছিলেন মো. খুরশীদ আলম খান।
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদের বিরুদ্ধে ১৯৯১ সালের ৮ জানুয়ারি দায়ের করা এ মামলা করে তখনকার দুর্নীতি দমন ব্যুরো।
মামলায় বলা হয়, ১৯৮৩ সালের ১১ ডিসেম্বর থেকে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি থাকাকালে বিভিন্ন উপহার রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা না দিয়ে এরশাদ এক কোটি ৯০ লাখ ৮১ হাজার ৫৬৫ টাকার আর্থিক অনিয়ম ঘটিয়েছেন।
ঢাকার বিশেষ জজ আদালত ১৯৯২ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি এ মামলার রায়ে এরশাদকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেয়।
এরশাদ ওই বছরই হাইকোর্টে আপিল করলে দণ্ড স্থগিত হয়ে যায় পরে ২০১২ সালে দুর্নীতি দমন কমিশন এ মামলায় পক্ষভুক্ত হয়।
মামলাটি শুনানির জন্য এর আগে একবার আদালতে উপস্থাপন করা হলেও পরে তা আর এগোয়নি। গত আগস্টে আবারো এ আপিল শুনানির উদ্যোগ নেয় দুদক। ১৯৯০ সালে গণআন্দোলনের মুখে এরশাদ সরকারের পতনের পর বিভিন্ন অভিযোগে প্রায় তিন ডজন মামলা হয় তার বিরুদ্ধে। এর মধ্যে তিনটি মামলায় তার সাজার আদেশ হয় এবং একটিতে তিনি সাজা খাটা শেষ করেন।
২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের আগে এরশাদ নির্বাচন কমিশনে যে হলফনামা দেন, তাতে তখনও আটটি মামলা থাকার কথা বলা হয়। বাকি মামলাগুলো থেকে তিনি খালাস বা অব্যাহতি পান। এ আট মামলার মধ্যে চারটির কার্যক্রম উচ্চ আদালতের আদেশে স্থগিত রয়েছে। মেজর মঞ্জুর হত্যাসহ তিনটি মামলা বর্তমানে চালু রয়েছে।