জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক কোন কর্তৃত্ববলে ওই পদে আছেন তা জানতে চেয়ে রুল করেছে হাইকোর্ট।
রোববার বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এক রিট আবেদনের শুনানি শেষে
এ রুল দিয়েছে।
চার সপ্তাহের মধ্যে মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যানকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
এর আগে ৯ নভেম্বর জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান পদে থাকার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিটটি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনূচ আলী আকন্দ।
রিটের পক্ষে তিনি নিজে শুনানিতে অংশ নেন আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তাপস কুমার বিশ্বাস।
রিট আবেদনকারীর যুক্তি, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের বর্তমান চেয়ারম্যান রিয়াজুল হক এর আগে দুই দফায় কমিশনের সদস্য হিসেবে নিয়োগ পান।
উল্লেখ, গত ২০১০ সালের ২২ জুন থেকে ২০১৩ সালের ২২ জুন পর্যন্ত প্রথম দফায় এবং দ্বিতীয় দফায় ২০১৩ সালের ২২ জুন ২০১৩ থেকে ২০১৬ সালের ২২ জুন পর্যন্ত এ মেয়াদ ছিল।
জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইনের ২(এইচ)৬(৩) ধারা অনুযায়ী, দুবারের বেশি নিয়োগ হলে তা অবৈধ। ৬–এর ৩ ধারা অনুসারে, কমিশনের চেয়ারম্যান, মেম্বার প্রতি মেয়াদে তিন বছরের জন্য নিয়োগ পাবেন; তবে দুই মেয়াদের বেশি নিয়োগ দেয়া যাবে না।