দীর্ঘ ১২ বছরেও হয়নি সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া হত্যার বিচার। এ হত্যা মামলায় পুলিশের তৃতীয় দফা তদন্ত রিপোর্টের পর ২০১৪ সালের ২১ ডিসেম্বর বিএনপির পলাতক নেতা হারিছ চৌধুরী, সিলেটের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীসহ ৩২ জনকে আসামী করে চার্জশিট দেয়া হয়। নানান আইনি জটিলতা কাটিয়ে শুরু হয়েছে হত্যা মামলাটির বিচার কাজ।
তবে এ হত্যাকাণ্ডে আইনি জটিলতায় বিষ্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলাটির বিচার কাজ এখনো শুরুই হয়নি। এদিকে, হত্যা মামলার ১৭১ জন স্বাক্ষীর মধ্যে এ পর্যন্ত মাত্র ৪৩ জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ করেছে আদালত।
২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি হবিগঞ্জের বৈদ্যেরবাজারে আওয়ামী লীগের এক সমাবেশে গ্রেনেড হামলায় শাহ এএমএস কিবরিয়াসহ ৫ জন নিহত হন।
ওই হত্যাকাণ্ডের ঘটনার মামলায় প্রথম দফা তদন্ত শেষে ২০০৫ সালে সম্পূরক অভিযোগপত্র দেয়া হয়। তা নিয়ে তার পরিবারের সদস্যরা প্রশ্ন তুললে অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেয় আদালত।
দ্বিতীয় দফা অধিকতর তদন্ত শেষে ২০১১ সালের ২০ জুন আবারো চার্জশিট দেয়া হয়। এ দফায়ও নারাজি আবেদন করা হলে সিআইডিকে তৃতীয় দফায় তদন্তের নির্দেশ দেয় আদালত।
২০১৪ সালের ২১ ডিসেম্বর তৃতীয় দফা তদন্ত শেষে সম্পূরক চার্জশিট দেয়া হয়। নতুন এ চার্জশিটে বিএনপি নেতা হারিছ চৌধুরী, সিলেটের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী ও হবিগঞ্জের পৌর মেয়র জিকে গউছসহ ৩৫ জনকে আসামি করা হয়। এ মামলায় হারিছ চৌধুরীসহ পলাতক রয়েছেন ১০ জন।
এরইমধ্যে ১৫জন আসামীরা দেশের বিভিন্ন কারাগারে বন্দি রয়েছেন। এছাড়া, সিলেটের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী ও হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জিকে গুউছসহ জামিনে রয়েছেন ১০ জন।
এ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচারের দাবি সেদিনের আহত নিহতের স্বজনদের।