রাজধানীর অদূরে পূর্বাচল আবাসিক প্রকল্পে প্লট বরাদ্দে দুর্নীতি দমন কমিশন- দুদকের করা দুর্নীতির মামলায় পারটেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান এমএ হাসেমের ছেলে শওকত আজিজ রাসেলকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে আদালত।
বৃহস্পতিবার, মহানগর হাকিম সত্য ব্রত শিকদার তাকে কারাগারে পাঠিয়ে ফটকে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছে।
দুদকের আইনজীবী মাহামুদ হোসেন জাহাঙ্গীর বলেন, শুনানি শেষে আদালত এ আদেশ দিয়েছে।
দুদকের উপ সহকারী পরিচালক সিলভিয়া ফেরদৌস বলেন, শওকত আজিজ রাসেলকে সাত দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি চাওয়া হয়। পরে বিচারক এ আদেশ দিয়েছে।
পারটেক্স থেকে ভাগ হয়ে গঠিত আম্বার প্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাসেল ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড (ইউসিবিএল) ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালকের দায়িত্বে আছেন।
পারটেক্স গ্রুপের আরেক কর্ণধার রাসেলের ভাই সিটি ব্যাংকের পরিচালক আশফাক আজিজ রুবেলও এ মামলার আসামি। তিনিও বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে আছেন।
গতকাল রাসেল, রুবেলসহ আট জনকে আসামি করে মতিঝিল থানায় একটি মামলা করে দুদক। রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান ইকবালউদ্দিন চৌধুরীকেও এ মামলায় আসামি করা হয়েছে।
আজ সকালে ঢাকার পরীবাগের বাসা থেকে ইকবাল উদ্দিন চৌধুরী এবং গুলশানের বাসা থেকে শওকত আজিজ রাসেলকে গ্রেপ্তার করে দুদক।
দুদকের উপ পরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য বলেন, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব ইকবালউদ্দিন চৌধুরী ২০০১ থেকে ২০০৪ পর্যন্ত সময়ে রাজউকের চেয়ারম্যান ছিলেন।
মামলার অপর আসামিরা হলেন- রাজউকের সাবেক সদস্যট এসডি ফয়েজ, একেএম ওয়াহেদুল ইসলাম, এস এম জাফরুল্লাহ, এইচএম জহিরুল হক ও রেজাউল করিম তরফদার।
মতিঝিল থানার ওসি ওমর ফারুক জানান, ইকবালউদ্দিন চৌধুরী রাজউকের চেয়ারম্যান থাকাকালে ‘ক্ষমতার অপব্যবহার করে ও অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে’ অন্যও আসামিদের সঙ্গে যোগসাজশে দুই ভাই রাসেল ও রুবেলকে ২০ কাঠা জমির দুটি প্লট বরাদ্দ দেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।