পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির ষড়যন্ত্র মামলায় কানাডার মন্ট্রিলভিত্তক নির্মাণ প্রতিষ্ঠান এসএনসি-লাভালিনের সাবেক তিন কর্মকর্তাকে খালাস দিয়েছে সেদেশের আদালত। শুক্রবার কানাডার গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়, টরন্টোর ওই আদালত পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির কোনো প্রামাণ পায়নি।
একই সঙ্গে, টেলিফোনে আড়ি পেতে পাওয়া যেসব প্রমাণ দাখিল করা হয়েছে, সেগুলোও নাকচ করে দেয় আদালত। পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ২০১৩ সালে, ১২০ কোটি ডলারের ঋণচুক্তি বাতিল করে বিশ্বব্যাংক।
পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ২০১৩ সালে, ১২০ কোটি ডলারের ঋণচুক্তি বাতিল করে বিশ্বব্যাংক। তবে এ প্রকল্পে দুর্নীতি ষড়যন্ত্রের প্রমাণ পায়নি কানাডার টরেন্টোর এক আদালত। ফলে কানাডীয় নির্মাণ প্রতিষ্ঠান এসএনসি-লাভালিনের সাবেক তিনি কর্মকর্তাকে অভিযোগ থেকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সময় শুক্রবার ওই তিন কর্মকর্তাকে খালাস দিয়ে রায় দেন বিচারক ইয়ান নর্ডহেইমার। কানাডার গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়, এই রায়ে মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেন প্রতিষ্ঠানটির সাবেক প্রেসিডেন্ট কেভিন ওয়ালেস, সাবেক আর্ন্তজাতিক প্রকল্প বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট রমেশ শাহ এবং বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কানাডিয়ান ব্যবসায়ী জুলফিকার আলী।
এছাড়া টেলিফোনে আড়ি পেতে পাওয়া যেসব প্রমাণ দাখিল করা হয়েছে, সেগুলোওকে 'গুজব আখ্যায়িত করে আদালত তা নাকচ হয়ে যায়। সেইসঙ্গে রয়্যাল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশ-আরসিএমপির তদন্ত কার্যক্রমের সমালোচনা করা হয়।
বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের পদ্মা সেতুতে দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে ২০১০ সালে তদন্ত শুরু করে। নিজেদের তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আরসিএমপিকে তারা অনুরোধ করে।
সম্ভাব্য দুর্নীতির অভিযোগ এনে ২০১১ সালে পদ্মা সেতুর অর্থায়ন থেকে সরে আসে বিশ্বব্যাংক। পরে নিজস্ব অর্থায়নে প্রকল্পি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নেয় সরকার।
২০১৪ সালে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি সই করে সরকার। গত মার্চে নির্মাণ কাজ শুরু করে প্রতিষ্ঠানটি।