সিলেটে দেবোত্তর সম্পত্তির তারাপুর চা বাগান দখল করে সরকারের হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ব্যবসায়ী রাগীব আলী ও তার ছেলে আবদুল হাইসহ ছয় জনের বিরুদ্ধে করা মামলায় রায় ২৬ ফেব্রুয়ারি।
বৃহস্পতিবার দুপুরে সিলেটের মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের বিচারক মো. সাইফুজ্জামান হিরো এ দিন ঠিক করেছে।
মহানগর বিচারিক হাকিম আদালতের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি মাহফুজুর রহমান বলেন, মামলাটিতে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ, ৩৩ সাক্ষীর মধ্যে ২২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে।
গত ২ ফেব্রুয়ারি তারাপুর চা-বাগান বন্দোবস্ত নিতে ভূমি মন্ত্রণালয়ের স্মারক জালিয়াতির মামলায় ছেলেসহ রাগীব আলীকে ১৪ বছর করে কারাদণ্ড দেয় আদালত।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০০৫ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর সিলেটের তৎকালীন সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস এম আবদুল কাদের বাদী হয়ে সরকারের হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও জালিয়াতির অভিযোগে সিলেটের কোতোয়ালি থানায় দুটো মামলা করেন। উচ্চ আদালতের নির্দেশে দীর্ঘদিন মামলা দুটির কার্যক্রম স্থগিত ছিল। তবে গত বছরের ১৯ জানুয়ারি প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ মামলা পুনরুজ্জীবিত করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন।
পরে ২২ মার্চ মহানগর দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি মফুর আলীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মুখ্য মহানগর বিচারিক হাকিম আদালতে মামলা পুনরুজ্জীবিত হয়। পুলিশ ব্যুারো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তদন্ত শেষে ১০ জুলাই অভিযোগপত্র দাখিল করে।
আদালত ১২ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করার পর ওইদিন বিকেলে সিলেটের জকিগঞ্জ ইমিগ্রেশন হয়ে পালিয়ে ভারতের করিমগঞ্জে চলে যান ছেলেসহ রাগীব আলী। ২৩ নভেম্বর ভারতের করিমগঞ্জ ইমিগ্রেশন পুলিশের হাতে রাগীব আলী ও এর আগে ১২ নভেম্বর ভারত থেকে জকিগঞ্জে গ্রেপ্তার হন আবদুল হাই।