প্রথিতযশা এবং স্বনামধন্য লেখকদের লেখা বাদ দিয়ে পাঠ্যপুস্তকে পরিবর্তন আনা কেন অবৈধ ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট।
সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষকের করা এক রিট আবেদনের শুনানি শেষে বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেছে।
চার সপ্তাহের মধ্যে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) চেয়ারম্যানকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, বর্তমান শিক্ষাবর্ষে পাঠ্যবইয়ে যেসব পরিবর্তন আনা হয় তা নিয়ে আলোচনা সমালোচনার ঝড় উঠেছে। হেফাজতে ইসলাম পাঠ্যবইয়ে হিন্দুত্ববাদের প্রচার চলছে- তাদের এ দাবি তুলে পাঠ্যবই থেকে কিছু আধ্যায় সরিয়ে নিতে সরকারকে তালিকা দেয়। আর পাঠ্যবইয়ে এমন কিছু বিষয় সংযোজনের কথাও জানায় তারা।
কওমি মাদ্রাসাভিত্তিক এ সংগঠনটির লিখিত প্রস্তাবে মোট ২৯টি বিষয় সংযোজন ও বিয়োজনের কথা বলা হয়েছিল। এর মধ্যে এ দুটি লেখারও উল্লেখ ছিল। ২৭টি লেখা গ্রহণ ও বর্জন করা হলেও দেখা যায়, দাবি অনুযায়ী ২০১৩ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত থাকা অষ্টম শ্রেণির ‘রামায়ণ-কাহিনি (লেখক উপেন্দ্রকিশোর রায় চৌধুরী) এবং সপ্তম শ্রেণির ‘লাল’ (শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়) গল্পটি রয়েই গেছে। পরবর্তীতে ছাপা বই বাতিল করা হয় এবং সংশোধনের পর নতুন করে ছাপা হয়।