বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার আদালত পরিবর্তনের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।
বুধবার বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দিয়েছে।
নিম্ন আদালতের বিচারকের প্রতি অনাস্থা জানিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার করা আবেদন মঞ্জুর করে এ আদেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।
ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আবু আহমেদ জমাদারের আদালতে আসামির আত্মপক্ষ সমর্থনের পর্যায়ে থাকা মামলাটি ঢাকার মহানগর জ্যে ষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতে স্থানান্তর করে ৬০ দিনের মধ্যেস নিষ্পত্তি করতে বলা হয়েছে।
খালেদা জিয়ার আইনজীবী জাকির হোসেন ভূঁইয়া বলেন, শুনানি শেষে এ আদেশ এসেছে।
গতকাল জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টসংক্রান্ত দুর্নীতি মামলার একটি অংশ পুনরায় তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন খালেদা জিয়া। বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি শহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে আবেদনটি করা হয়।
গত ২ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টসংক্রান্ত দুর্নীতি মামলার একটি অংশ পুনরায় তদন্ত চেয়ে চেয়ারপারসনের করা আবেদন বিচারিক আদালতে নামঞ্জুর হয়। বিচারিক আদালতের ওই আদেশের বিরুদ্ধে ১ মার্চ হাইকোর্টে রিভিশন আবেদন করেন তিনি।
হাইকোর্টে আবেদনটি উপস্থাপন করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবী আবদুর রেজাক খান।
আবেদনে মামলার একটি অংশ পুনরায় তদন্তের আবেদন খারিজের আদেশ কেন বাতিল হবে না এবং মামলার সংশ্লিষ্ট অংশ পুনরায় তদন্ত করতে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না, এ বিষয়ে রুল চাওয়া হয়। রুল হলে তা বিচারাধীন থাকা অবস্থায় বিচারিক মামলার কার্যক্রম স্থগিত চাওয়া হয়।
খালেদা জিয়ার আইনজীবী জাকির হোসেন ভূঁইয়া সাংবাদিকদের বলেন, মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে জানিয়েছে, অর্থ সৌদি আরব থেকে এসেছে। বিবাদীপক্ষ বলছে, অর্থ কুয়েতের আমির দিয়েছেন। মামলার এ অংশ পুনরায় তদন্ত চাওয়া হয়েছেয় বিচারিক আদালতে ৯ মার্চ সাক্ষী জেরার দিন ঠিক রয়েছে।
ঢাকার ৩ নম্বর বিশেষ জজ আদালতে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টসংক্রান্ত দুর্নীতি মামলার বিচারকাজ চলছে। একই আদালতে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টসংক্রান্ত দুর্নীতি মামলার বিচারকাজও চলছে।