উপাচার্য, উপ-উপাচার্য, রেজিস্ট্রার ও কোষাধ্যক্ষের বিরুদ্ধে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের জমি কেনাসহ আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ দুদককে তদন্ত করতে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না— তা জানতে চেয়ে রুল দিয়েছে হাইকোর্ট।
মঙ্গলবার বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে এ রুল দেন।
অভিযোগ অনুসন্ধান ও তদন্তে নিষ্ক্রিয়তা কেন আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, তা-ও জানতে চাওয়া হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রসচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) চেয়ারম্যানসহ ৭ বিবাদীকে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
এ সময় আদালতে রিটের পক্ষে ছিলেন এএম আমিনুদ্দিন আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোখলেছুর রহমান।
প্রসঙ্গত, গত ৫ ফেব্রুয়ারি ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়: জমি কেনা নিয়ে নয়ছয়’ শিরোনামে প্রথম আলোয় একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। জমি কেনা ও আর্থিক অনিয়ম নিয়ে অন্য গণমাধ্যমেও খবর আসে।
এসব প্রতিবেদন যুক্ত করে ১২ মার্চ হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী আসাদুজ্জামান। আবেদনটি আজ শুনানির জন্য আসে। শুনানি নিয়ে রুল দেন হাইকোর্ট।