রানা প্লাজা ধসের ঘটনায় ভবন মালিক সোহেল রানাসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে যে ২টি মামলা হয়েছে তবে চার বছরেও তার তেমন অগ্রগতি নেই। আসামিপক্ষের আইনজীবিদের সময় আবেদনের কারণে মামলার স্বাভাবিক গতি বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে বলে অভিযোগ রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীদের।
তবে দুটি মামলার কার্যক্রমই শিগগিরই শুরু হবে বলে জানিয়েছেন তারা। যেসব তথ্যপ্রমাণ রয়েছে তাতে অপরাধীরা সাজা পাবে আর ক্ষতিগ্রস্তরা ন্যায়বিচার পাবে বলে আশা তাদের। আর দুদকের করা দুর্নীতি মামলায় অভিযোগ গঠনের বিষয়ে আদেশ ৮ মে।
২০১৩ সালে ২৪এপ্রিল সাভারে রানা প্লাজা দুর্ঘটনার পর তাৎক্ষনিকভাবে দুটি মামলা দায়ের করা হয়। একটি হত্যা মামলা, যেখানে ভবন মালিক সোহেল রানাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।
অন্যটি ঝুঁকিপূর্ণ ইমারত নির্মাণ মামলা, এখানেও সোহেল রানাসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। পরবর্তীতে এই ১৮ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা দায়ের করে দুদক।
তবে রানা প্লাজা ধসের চার বছর পেরিয়ে গেলেও মামলাগুলোর তেমন অগ্রগতি নেই। পুলিশ, র্যা ব আর সর্বশেষ সিআইডির তদন্তের পর প্রথম দুটি মামলারই চার্জশিট জমা দেয়া হয়েছে আদালতে।
ঝুকিপূর্ণ ইমারত নির্মাণ মামলায় ভবন মালিক রানাসহ ১৮জনের সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ১৭ মে দিন ধার্য করেছে চিফ জুডিশিয়াল মেট্রোপলিটন আদালত। অন্যদিকে, হত্যা মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ৭ মে দিন ধার্য করেছে মহানগর দায়রা জজ আদালত। আর দুদকের করা দুর্নীতি মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানি হয়েছে, আদেশের জন্য ৮মে দিন ধার্য করা হয়েছে।
এদিকে, আসামিপক্ষের বারবার সময়ের আবেদনের কারণে মামলাটি ধীরগতিতে এগুচ্ছে বলে অভিযোগ রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবিদের। তবে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে জোরালো তথ্য-প্রমাণ ও পর্যাপ্ত সাক্ষী থাকায় ন্যায়বিচার হবে বলে তারা আশাবাদী।