বনানীর রেইনট্রি হোটেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রী ধর্ষণের মামলার আসামি সাফাত আহমেদ ও সাদমান সাকিফের ৫টি মোবাইল ফোনের ফরেনসিক পরীক্ষার অনুমতি দিয়েছে আদালত।
রোববার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের পরিদর্শক ইসমত আরা এমির আবেদনে ঢাকার মহানগর হাকিম মো. দেলোয়ার হোসেন এ আদেশ দেন।
এর আগে মামলার আলামত হিসেবে জব্দ করা ৫টি মোবাইল ও একটি ডিভাইস পরীক্ষা করার অনুমতি চেয়ে আবেদন করে পুলিশ। আবেদনের শুনানিতে আদালত ওই আদেশ দেয়। জব্দ করা ৫টি মোবাইল ফোন ও একটি ডিভাইসের মালিক সাফাত ও সাদমান। এগুলোর ফরেনসিক পরীক্ষা করবে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
গত বৃহস্পতিবার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন দুই আসামি শাফাত ও সাদমান।
উল্লেখ্য, গত ১১ মে সিলেটের একটি হোটেল থেকে মামলার দুই আসামি সাফাত ও সাদমানকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর ১৫ মে সন্ধ্যায় পুরান ঢাকার নবাবপুর এলাকার ‘ইব্রাহীম হোটেল’ থেকে সাফাতের দেহরক্ষী বিল্লাল ও মহাখালী এলাকা থেকে গাড়িচালক রহমতকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আর গত বুধবার রাত ৯টার দিকে পুলিশ সদরদফতর ও ঢাকা মহানগর পুলিশের একটি দল মুন্সীগঞ্জের লৌহজং থেকে মামলার অপর আসামি নাঈম আশরাফ ওরফে হাসান মোহাম্মদ হালিমকেও গ্রেপ্তার করে।