চুয়াডাঙ্গায় বাকপ্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মঙ্গলবার অভিযুক্ত আমির হোসেন ও তার সহযোগীকে জেলহাজতে পাঠানোর নিদের্শ দিয়েছে আদালত।
এদিকে, চুয়াডাঙ্গায় ধর্ষণের শিকার বাক প্রতিবন্ধী শিশুটির ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।
বেলা সাড়ে ১১টায় চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে তার ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়।
পুলিশ জানায়, গতকাল সোমবার বিকেলে দামুড়হুদা উপজেলার কুড়লগাছি গ্রামে বাক প্রতিবন্ধী শিশুটিকে ফুঁসলিয়ে গ্রামের পাশের একটি পল্ট্রি খামারে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে ওই খামারের কর্মচারি আমির হোসেন। শিশুটি চিৎকার দিলে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেন স্থানীয়রা।
মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় শিশুটির ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন করে সদর হাসপাতালের গাইনী বিশেষজ্ঞ ও সার্জন ডা. হোসনা জারি তাহমীনা বলেন, শিশুটির প্রাথমিকভাবে ডাক্তারি পরীক্ষায় ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। তার অবস্থা ক্রমেই উন্নতি হচ্ছে।
ভুক্তভোগী শিশুর পিতা বাদী হয়ে দামুড়হুদা মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন। সোমবার সন্ধ্যায় ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত ধর্ষক আমির হোসেন ও ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগে খামার মালিক মনিরুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার নিজাম উদ্দিন জানান, এলাকাবাসীর সহযোগিতায় দ্রুত অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত ধর্ষক ও তার সহযোগিকে ধরা হয়েছে।
দুপুরে আদালতে সোপর্দ করলে বিজ্ঞ বিচারক তাদের জেলহাজতে পাঠানো নির্দেশ দেন বলে জানান।
এদিকে, প্রতিবন্ধী শিশু ধর্ষণের ঘটনায় এলাকায় ক্ষোভের ঝড় উঠেছে।
অভিযুক্ত ধর্ষক ও তার সহযোগীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।