জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট ও জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পরবর্তী শুনানির দিন ৬,৭ পরিবর্তে ১৯, ২০, ২১ ডিসেম্বর ধার্য করেছে আদালত।
মঙ্গলবার দুপুরে খালেদা জিয়ার চার আবেদনের শুনানি করে ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান এ আদেশ দেন।
এর আগে সকালে ঢাকার বকশীবাজারে আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ ড. আখতারুজ্জামানের আদালতে হাজির হয়ে আত্মসমর্পণ করেন খালেদা জিয়া। এ সময় তার পক্ষে জামিন আবেদন করা হয়।
এ বিষয়ে শুনানি শেষে বিচারক ড. আখতারুজ্জামান খালেদা জিয়ার জামিন মঞ্জুর করেন। আর আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার এবং দুদকের পক্ষে ছিলেন মোশাররফ হোসেন কাজল।
চলতি বছরের ৩০ নভেম্বর দুর্নীতির এ দুই মামলায় খালেদা জিয়া হাজির না হলে তার বিরুদ্ধে এ পরোয়ানা জারি করে আদালত। একইসঙ্গে দুই মামলার শুনানির জন্য এ দিন ধার্য করেন।
এদিকে, চলতি বছরের ১২ অক্টোবর বিদেশে থাকাকালে খালেদা জিয়ার জামিন বাতিল করে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আদালত। ১৯ অক্টোবর দুই মামলায় আত্মসমর্পণ করে অস্থায়ী জামিন পান। এরপর থেকে মামলার ধার্য তারিখে আদালতে হাজিরা দিচ্ছেন তিনি।
উল্লেখ্য, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট রাজধানীর তেজগাঁও থানায় একটি মামলা করেছে দুদক।
আর জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের নামে এতিমদের জন্য বিদেশ থেকে আসা ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রাজধানীর রমনা থানায় অপর মামলা করা হয়।