রাজধানীর উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজে সাধারণ কোটায় ভর্তি হওয়া ৫৭ শিক্ষার্থীর শিক্ষা কার্যক্রমে বাধা কেটেছে।
বুধবার কলেজ কর্তৃপক্ষের এক আবেদনের শুনানি করে অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞার নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের আপিল বিভাগ এ আদেশ দেয়।
আদেশে মেধা তালিকায় নাম থাকার পরও ভর্তির সুযোগ না পাওয়া শিক্ষার্থী তারিকুল ইসলামকে সাত দিনের মধ্যে ভর্তির নির্দেশ দিয়েছে সর্বোচ্চ আদালত।
গত ৯ জানুয়ারি তারিকুলের বাবার করা একটি রিট আবেদনে কোটায় ভর্তি হওয়া ওই ৫৭ শিক্ষার্থীকে এক মাসের জন্য শিক্ষা কার্যক্রম থেকে বিরত রাখার নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট।
কলেজ কর্তৃপক্ষ ওই আদেশ স্থগিতের আবেদন করে পরে তা চেম্বার আদালত ঘুরে আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে আসে।
আদেশের এক সপ্তাহের মধ্যে তারিকুলের ভর্তির ব্যবস্থা করতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং কলেজ কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেয়া হয়।
উত্তরা আধুনিক মেডিকেলের পক্ষে আদালতে শুনানি করেন ফজলে নূর তাপস, সঙ্গে ছিলেন মেহেদী হাসান চৌধুরী। আর রিট আবেদনকারীর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এ এম আমিন উদ্দীন ও রেজিনা মাহমুদ।
গত বছর ১৭ ডিসেম্বর ‘দৈনিক প্রথম আলোতে’ প্রকাশিত ‘উত্তরা মেডিকেলে ভর্তিতে মেধাতালিকাকে উপেক্ষা’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন যুক্ত করে গত ২ জানুয়ারি এই রিট আবেদন করেন ভর্তিচ্ছু তারিকুল ইসলামের বাবা নজরুল ইসলাম।
সেখানে বলা হয়, উত্তরা আধুনিক মেডিকেলে এমবিবিএস কোর্সের ৯০টি আসনের মধ্যে বিভিন্ন কোটায় ১৮ জনকে ভর্তি করার কথা। বাকি ৭২টি আসনের মধ্যে ১৫টিতে শিক্ষার্থী ভর্তির পর কর্তৃপক্ষ মেধা তালিকা থেকে ভর্তি না করে ‘আগে আসলে আগে পাবেন’ ভিত্তিতে বাকি ৫৭ আসনে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে।
এর ফলে মেধা তালিকার ২৬১ ক্রমিকের প্রার্থী তরিকুল ভর্তিবঞ্চিত হয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয় রিট আবেদনে।