রাজধানীর হাতিরঝিলে তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির- বিজিএমইএয়ের ভবন ভাঙতে আরো একবছর সময়ের আবেদনের বিষয়ে আগামী মঙ্গলবার আদেশের দিন ঠিক করেছে আদালত।
রোববার এ বিষয়ে বিজিএমইএয়ের এক আবেদনের শুনানি শেষে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ দিন দিয়েছে।
আদালতে বিজিএমইএয়ের পক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী কামরুল হক সিদ্দিকী তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী ইমতিয়াজ মইনুল ইসলাম।
এর আগে গত ৫ মার্চ বিজিএমইএ ভবনটি ভাঙতে আপিল বিভাগে আরো একবছর সময় চেয়ে আবেদন করা হয়।
গত বছরের ৮ অক্টোবর বহুতল এ ভবন ভাঙতে বিজিএমইএকে সাত মাস সময় দেয় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।
ওইদিন আদালতে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) পক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। বিজিএমইএয়ের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট কামরুল হক সিদ্দিকী তার সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার ইমতিয়াজ মইনুল ইসলাম।
গতবছর এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ১২ মার্চ ভবন ভাঙতে বিজিএমইএকে ছয়মাসের সময় দেয় আপিল বিভাগ।
ওই সময় শেষ হওয়ায় একই বছরের ২৩ আগস্ট আরও এক বছর সময় চেয়ে এ আবেদন জানায় বিজিএমইএ। ওই আবেদনের শুনানি নিয়ে ৮ অক্টোবর সাত মাস সময় দেয় আপিল বিভাগ। পরে এ সময় শেষ হওয়ার আগেই ফের এক বছর সময় চেয়েছে বিজিএমইএ।
১৯৯৮ সালের ২৮ নভেম্বর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিজিএমইএ ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। নির্মাণ শেষ হলে ২০০৬ সালের ০৮ অক্টোবর ভবনটির উদ্বোধন করেন সে সময়কার প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। এরপর থেকে এটি বিজিএমইএ’র প্রধান কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
কিন্তু রাজউকের অনুমোদন ছাড়াই কারওয়ান বাজার সংলগ্ন বেগুনবাড়ি খালে বিজিএমইএ ভবন নির্মাণ করা হয়েছে উল্লেখ করে ২০১০ সালের ২ অক্টোবর রিট করা হয়।