রংপুরে গৃহকর্মীকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় পুলিশের এএসআই আলতাফ হোসেন ও তার স্ত্রী সালেহা বেগমকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।
রোববার দুপুরে রংপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতের বিচারক জাবিদ হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।
সরকার পক্ষের আইনজীবী জানিয়েছেন, দীর্ঘ ১৫ বছরে ১৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বিচারক দুই আসামিকে দোষি সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ প্রদান করেন।
এদিকে, আসামিদের ফাঁসি না হওয়ায় রায়ে অসন্তোষ জানিয়েছে নিহতের পরিবার।
উল্লেখ, ২০০৩ সালের ২৪ মে এএসআই আলতাফ হোসেন তার বাড়ির গৃহকর্মী মনজিলা বেগমকে ধর্ষণের পর তাকে হত্যা করে। পরে ঘটনা ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে আলতাফ ও তার স্ত্রী সালেহা বেগম নিহত মনজিলার লাশ বাড়ির অদূরে একটি ধান ক্ষেতে ফেলে রাখে। এ ঘটনায় নিহতের মা রাবেয়া খাতুন বাদি হয়ে কোতয়ালী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের করেন।
এদিকে, গাজীপুরে অটোরিকশা চালক হত্যা মামলায় এক যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় অপর তিন আসামিকে আদালত খালাস দিয়েছে।
সকালে গাজীপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এএম এনামুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি আসামি মোহাম্মাদ নাইম, ওরফে মহিউদ্দিন নাইমকে তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে আদালত।
অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় এ মামলার তিন আসামি মোহাম্মাদ হাসান ইমাম, ওরফে রাব্বী, মোহাম্মাদ জহিরুল ইসলাম, ওরফে ফরহাদ ও মোহাম্মাদ রায়হান উদ্দিন, ওরফে নীরবকে খালাস দেয়া হয়েছে।
গত ২০১৩ সালের ২৮ নভেম্বর সকালে অটোরিকশা চালক মোহাম্মাদ জুলহাস মোল্লা নিখোঁজ হন। ওই দিন সন্ধ্যায় গাজীপুরের গজারী বন থেকে জুলহাসের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।