জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বুধবার বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সাজা কেন বাড়ানো হবে না জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট।
বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেছে।
আদেশে রাষ্ট্র ও খালেদা জিয়াকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার দুদকের করা আবেদনটি কার্যতালিকায় আসার পর বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ দুপুরে এ বিষয়ে আদেশ দেয়।
আদালতে খালেদার পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক।
গত রোববার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক এ আপিল দায়ের করে।
দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান বলেন, গত ৮ ফেব্রুয়ারি এ মামলার প্রধান আসামি খালেদা জিয়াকে দেয়া বিচারিক আদালতের সাজা অপর্যাপ্ত মনে করায় এ আপিল করা হয়েছে।
তবে, এ আবেদন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত বলে মনে করছেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা।
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় প্রধান আসামি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে গত ৮ ফেব্রুয়ারি ৫ বছরের কারাদণ্ড দেয় বিচারিক আদালত।
পাশাপাশি মামলার অন্য আসামি বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ অন্য ৫ জনকে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ডসহ প্রত্যেককে ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার টাকা জরিমানা করে আদালত।
প্রধান আসামি হিসেবে খালেদা জিয়ার এ সাজাকে অপর্যাপ্ত মনে করায় রোববার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় তার সাজা বাড়ানোর জন্য আপিল করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন। মঙ্গলবার এটি হাইকোর্টে উপস্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন দুদকের আইনজীবীরা।
এদিকে, রাজনৈতিক কারণেই খালেদা জিয়ার সাজা বাড়ানোর এই আবেদন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবীরা।
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় পাঁচ বছরের দণ্ড নিয়ে রাজধানীর নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে কারাভোগ করছেন বিএনপি চেয়ারপারসন।