রাজধানীর হাতিরঝিলে অবৈধভাবে নির্মিত তৈরি পোশাক রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএ ভবন ভাঙতে আরো একবছর সময় পেয়েছে।
সোমবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বিভাগের বেঞ্চ এ আদেশ দিয়েছে।
ভবিষ্যতে আর সময় চাওয়া হবে না -এমন মুচলেকা দেয়ায় আদালত বিজিএমইএয়েকে এ সময় দেয়।
এর আগে গত মঙ্গলবার বিজিএমইএয়ের করা মুচলেকা লেখায় ভুল থাকায় আদেশের দিন আজ ঠিক করে হাইকোর্ট।
রাজধানীর হাতিরঝিলে গড়ে তোলা বিজিএমইএয়ের অবৈধ ভবন ভাঙতে সময় চেয়ে করা আবেদনের বিষয়ে আদালত জানায় মুচলেখা দিলে সময় নিয়ে বিবেচনায় করা হবে।
প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের চার বিচারপতির বেঞ্চ এমন শর্ত দেয়। তবে তাতে ভুল থাকায় মঙ্গলবার আদেশ দেয়নি আদালত।
আদালতে বিজিএমইএয়ের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী কামরুল হক সিদ্দিকী ও ইমতিয়াজ মঈনুল ইসলাম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।
আপিল বিভাগের এমন অবস্থানের পরিপ্রেক্ষিতে ভবন ভাঙতে ভবিষ্যতে আর সময় চেয়ে আবেদন করা হবে না মর্মে মুচলেকা দিতে রাজিও হয় বিজিএমইএ। আর বিজিএমইএ এ মুচলেকা জমা দেয়ার পরই ভবন ভাঙতে আরো এক বছর সময় চেয়ে তাদের করা আবেদনের বিষয়ে আদেশ দেয়া হবে বলে জানায় আদালত।
এর আগে গত রোববার ভবন ভাঙতে আরো এক বছর সময় চেয়ে বিজিএমইয়ের করা আবেদনের শুনানি নিয়ে ২৭ মার্চ আদেশের দিন ঠিক করে আপিল বিভাগ।
তবে এদিন আদেশ না দিয়ে সর্বোচ্চ আদালত বিজিএমইএয়ের কাছ থেকে এ মর্মে মুচলেকা চায় যে, ভবিষ্যতে ভবন ভাঙতে আর সময় চেয়ে তারা আবেদন করবে না। বিজিএমইএ-ও মুচলেকা দিতে রাজি হয়।