রাজধানীর ধামরাইয়ে চলন্ত বাসে ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় বাসটির চালকসহ পাঁচ জনের তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।
মঙ্গলবার ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আতিকুল ইসলাম এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
তারা হলো- বাসচালক চুয়াডাঙ্গা সদরের বাবু মল্লিক, নীলফামারী জেলার ডিমলার বলরাম, ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ার আবদুল আজিজ, ধামরাইয়ের দক্ষিণ গাওয়াইল গ্রামের সোহেল রানা ও একই উপজেলার দক্ষিণ কেলিয়া গ্রামের মকবুল হোসেন।
মলার তদন্ত কর্মকর্তা ধামরাই থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাকারিয়া হোসেন আসামিদের ঢাকার আদালতে হাজির করে সাতদিন করে রিমান্ড আবেদন করেছিলেন।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, ধামরাইয়ের শ্রীরামপুর গ্রাফিকস টেক্সটাইল কারখানার একপোশাক কর্মী ছুটি হওয়ার পর তার ভাড়া বাসা ইসলামপুরে ফেরার উদ্দেশে রাত ৯টার দিকে শ্রীরামপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে যাত্রীসেবা পরিবহনের একটি বাসে ওঠেন।
বাসটি কালামপুরে আসার পর অন্য যাত্রীদের নামিয়ে দেয়। পরে বাসটি ঢাকার দিকে না এসে এদিক-ওদিক ঘুরাতে থাকে। পরে আবার ইসলামপুরের দিকে রওনা দিয়ে কেলিয়া এলাকা থেকে আরও তিনজনকে বাসে তোলে। যাত্রীবেশে ওঠা ওই তিন জনসহ বাসের হেলপার ও সুপারভাইজার হঠাৎ ওই পোশাককর্মীকে বাসের পিছন দিকে নিয়ে হাত, মুখ ও পা বেঁধে ফেলে।
এরপর তিন জন তাকে ধর্ষণ করে। পরে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের ধামরাইয়ের কেলিয়া ব্রিজের পশ্চিম পাশে বাস থামিয়ে চালকসহ অন্য দু'জন ধর্ষণ করতে গেলে মুখের বাঁধন খুলে চিৎকার দেয় নির্যাতিতা। এ সময় ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে টহলরত ধামরাই থানার এসআই ভজন রায় টের পেয়ে বাসটি ধাওয়া দিয়ে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের কেলিয়া ব্রিজের পূর্বপাশ থেকে বাসসহ ধর্ষণকারীদের আটক করেন।
এ সময় বাসটিতে থাকা সাত জনকেই আটক করে পুলিশ। তাদের মধ্যে দুজন ছিল বাসচালকের শিশু সহকারী।