পুলিশের কাজে বাধা ও সরকারবিরোধী উসকানিমূলক বক্তব্যের অভিযোগে করা মামলায় বিএনপির সাত নেতা অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পেয়েছেন।
বুধবার জামিনের বিষয়ে তিনটি পৃথক আবেদনের শুনানি শেষে বিচারপতি মোহাম্মদ আব্দুল হাফিজ ও বিচারপতি কাশেফা হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দিয়েছে।
একইসঙ্গে মামলাগুলোতে পুলিশ প্রতিবেদন না দেয়া পর্যন্ত তাদের এ জামিন মঞ্জুর থাকবে।
বুধবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার এ কে এম এহসানুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় দায়ের করা দুই মামলায় বিএনপির শীর্ষস্থানীয় সাত নেতার অন্তর্বর্তীকালীন জামিন চেয়ে হাইকোর্টে পৃথক তিনটি আবেদন করা হয়।
আবেদনকারীরা হলেন: বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, নহরুল ইসলাম খান, আমান উল্লাহ আমান ও রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু।
আদালতে আবেদনগুলোর পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, জয়নুল আবেদীন ও ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন।
এর আগে হাতিরঝিল থানা পুলিশ বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং দলটির প্রায় সব জ্যেষ্ঠ নেতাসহ ৫৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে।
মামলার এজাহারে বলা হয়: রাজধানীর মগবাজার রেলগেট এলাকায় রোববার অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে পুলিশের কাজে বাধা, পুলিশ ওপর আক্রমণ, যানবাহন ভাঙচুর ও ক্ষতিসাধন করেছেন তারা। জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির জন্য ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে, এছাড়াও ঘটনাস্থল থেকে বাঁশের লাঠি, পেট্রোল বোমা, বিস্ফোরিত ককটেলের অংশ, কাচের টুকরা ও ইটের টুকরা উদ্ধার করা হয়েছে।