বহুল আলোচিত ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় কাল-বুধবার ঢাকার ১ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিন এ রায় ঘোষণা করবেন।
একযুগেরও বেশি সময় ধরে চলা এ মামলায় সব আসামির অপরাধ প্রমাণ করতে পেরেছেন দাবি করে তাদের সর্বোচ্চ সাজার আশা রাষ্ট্রপক্ষের।
তবে আসামিপক্ষের দাবি মামলায় যাদের মূল আসামি করা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগই প্রমাণিত হয়নি তাই রায়ে খালাস পাবেন তারা।
বিগত ২০০৪ সালে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে গ্রেনেড হামলার ঘটনায় দায়ের করা দুটি মামলা চলেছে ১৭৫৪ কার্যদিবস। এর মধ্যে এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে সাক্ষ্য দিয়েছে ২২৫ জন এবং আসামিপক্ষে ২০ জন। মামলার কার্যক্রম স্থগিতের জন্য উচ্চ আদালতে আসামিপক্ষের আবেদনের বিষয়ে সুরাহা হতে ২৯২ কার্যদিবস সময় লেগেছে। এরমধ্যে বিচারক পরিবর্তন হয়েছে একবার। ১২০ কার্যদিবস যুক্তিতর্কের মধ্যে আসামিপক্ষ সময় নিয়েছে ৯০ কার্যদিবস আর রাষ্ট্রপক্ষ নিয়েছে ৩০ কার্যদিবস।
ইতিহাসের অন্যতম এ নৃশংশ হামলার ঘটনায় দোষীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে পেরেছেন দাবি করে ন্যায় বিচারের প্রত্যাশা করেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সৈয়দ রেজাউর রহমান।
আসামিপক্ষের আইনজীবী এস এম শাহজাহান বলেন, আর এ মামলাকে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক দাবি করে ন্যায়বিচারের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মামলাটিতে আসামির সংখ্যা ৫২ জন হলেও যুদ্ধাপরাধী ও জামাত নেতা আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, মুফতি হান্নানসহ ৩ জনের আলাদা মামলায় ফাঁসির দণ্ড কার্যকর হওয়ায় তাদেরকে বাদ দেয়া হয়েছে। ৪৯ আসামির মধ্যে পলাতক রয়েছেন ১৮ জন।