একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থিতা বাতিল হওয়া হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে চেম্বার আদালতে আপিল আবেদন জানিয়েও নির্বাচনে ফিরতে পারছেন না বিএনপির ৭ প্রার্থী ও একটি স্বতন্ত্র আসনের প্রার্থীসহ মোট ৮ জন।
এসব প্রার্থীর সবাই উপজেলা চেয়ারম্যান পদে থেকে নির্বাচন করায় হাইকোর্ট তাদের প্রার্থিতা স্থগিত করে রুল জারি করে। যার পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল এ প্রার্থীরা হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে পৃথক পৃথক আবেদন জানান।
সোমবার ওই আবেদনের শুনানি নিয়ে চেম্বার আদালত তাদের প্রার্থিতা নিয়ে হাইকোর্টের আদেশ বহাল রাখে। এর ফলে তাদের আর নির্বাচনে অংশগ্রহণ সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন আইনজীবী শাহ মঞ্জুরুল হক।
হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে প্রার্থীদের করা আপিল আবেদনের শুনানি শেষে চেম্বার বিচারপতি নুরুজ্জামান ননীর আদালত এ আদেশ দেন।
এর আগে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে বিএনপির বেশ কয়েকজন প্রার্থীর প্রার্থিতা হাইকোর্টে আটকে যায়।
আইনজীবী শাহ মঞ্জুরুল হক বলেন, এর ফলে তাদের আর নির্বাচনে অংশগ্রহণ সম্ভব হচ্ছে না।
বিএনপির মনোনয়ন পেলেও আদালতে প্রার্থিতা হারানো প্রার্থীরা হলেন— জামালপুর-৪ আসনের ফরিদুল কবির তালুকদার, জয়পুরহাট-১ আসনের মো. ফজলুর রহমান, ঝিনাইদহ-২ আসনের এম এ আব্দুল মজিদ, রাজশাহী-৬ আসনের আবু সাঈদ চাঁদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনের ইঞ্জিনিয়ার মোসলেম উদ্দিন, ঢাকা-১ আসনের প্রার্থী খন্দকার আবু আশফাক এবং ঢাকা-২০ আসনের তমিজ উদ্দিন। এছাড়া, ময়মনসিংহ-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহমুদ হাসান সুমনের মনোনয়নপত্র বাতিলের আদেশ বহাল রেখেছে চেম্বার আদালত।
আদালতে আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশনের (ইসি) পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট শাহ মঞ্জুরুল হক।