নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগে নির্বাচিত প্রার্থীর বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে মামলা করে সফলতার নজির এ দেশে নেই। তাই মহাজোটের প্রার্থীর বিরুদ্ধে ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীদের নির্বাচনী মামলাও ব্যর্থ হবে বলে মনে করেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ।
দেশটিভিকে দেয়া এক সাক্ষ্যাতকারে তিনি এ কথা বলেন।
শফিক আহমেদ মতে, নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ প্রমাণ করা খুবই দূরহ। পাশাপাশি এসব মামলা নিষ্পত্তি হতেও বছরের পর বছর লাগতে পারে। নির্বাচনে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগের প্রতিকারের শেষ ভরসা হিসেবে উচ্চ আদালতে করা হয়েছে এসব মামলা।
তবে সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার সফিক আহমেদের মতে, এ মামলা করে কোনো লাভ নেই। এর আগে বিভিন্ন সময়ে, বিচ্ছিন্নভাবে এ ধরনের ২/১টি মামলা করা হয়েছিল। তবে তাতে বাদীর পক্ষে রায় পাওয়ার কোনো নজির নেই। এর পাশাপাশি যথাযথ তথ্য প্রমান হাজির করাও কঠিন। আর মামলার দীর্ঘ সুত্রীতা তো আছেই।
তবে সার্বিকভাবে, এ মামলাকে বিএনপি তথা ঐক্যফ্রন্টের রাজনৈতিক কৌশল বলে মনে করছেন এ আইনজ্ঞ।
উল্লেখ্য, ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচনের আগের রাতে অধিকাংশ ব্যালট বাক্স ভরে রাখা, প্রকাশ্যে ব্যালট পেপারে নৌকায় সিল মারতে বাধ্য করাসহ নানা ধরনের অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ করে, নির্বাচনী আদালতে মামলা করেছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ৭৪ জন পরাজিত প্রার্থী।
এসব মামলায় ১ নম্বর বিবাদী করা হয়েছে নৌকা প্রতীকে বিজয়ী প্রার্থীদের। অভিযুক্ত করা হয়েছে নির্বাচন কমিশনকেও। মামলায় উল্লেখিত আসনগুলোর দায়িত্বে থাকা রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নামও প্রতিপক্ষ হিসেবে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে।