দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও ) ওয়াহিদা খানম ও তার বাবা ওমর আলী শেখের ওপর হামলার ঘটনায় আসামি রবিউল ইসলামকে দ্বিতীয়়় দফায় তিন দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে হাজির করা হয়েছে।
রোববার সকাল ১০টার দিকে দিনাজপুর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তাকে হাজির করা হয়। রবিউল এদিন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে পারেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ বলছে, জিজ্ঞাসাবাদে রবিউল জানিয়েছে এ ঘটনার একমাত্র পরিকল্পনাকারী এবং হামলাকারী সে নিজেই। আক্রোশ থেকেই এই ঘটনা ঘটিয়েছে সে। তার দেয়া তথ্যমতে হামলায় ব্যবহৃত হাতুড়ি, লাঠি, মই, চাবি সহ বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করেছে পুলিশ। একসাথে তার পরনের প্যান্ট, হাতের ছাপ সহ মোবাইলের লোকেশন বিষয়গুলো আলামত হিসেবে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এসব আলামত বিচার কাজে সহায়ক হবে।
এর আগে গত ৯ সেপ্টেম্বর প্রযুক্তির সহায়তায় রবিউলকে নিজ বাড়ি থেকে আটক করে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে নিজের দোষ স্বীকার করে বলে জানায় পুলিশ।
ইউএনওর ওপর হামলার বিষয়টি নিয়ে গত ১২ সেপ্টেম্বর সংবাদ সম্মেলন করেন পুলিশের রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি দেবদাস ভট্টাচার্য। সেদিন তিনি জানিয়েছিলেন, রবিউল দায় স্বীকার করে জানিয়েছে এ ঘটনায় প্রধান পরিকল্পনাকারী এবং একমাত্র হামলাকারী সে নিজেই। পরে তাকে ওই দিনেই আদালতে পাঠিয়ে ১০ দিনের রিমান্ডে চায় পুলিশ। আদালতের বিচারক তাকে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। ওই দিনই রিমান্ডে নিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিশ।
প্রথম দফায় ছয় দিনের রিমান্ড শেষে গত বৃহস্পতিবার রবিউলকে আদালতে হাজির করে আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুনরায় সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে ডিবি পুলিশ। পরে শুনানি নিয়ে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।