মিউজিক্যাল লাইভ এতো সুর এতো গান (সরাসরি) বেলা ৩:০০
শিল্পী: আতিক ও লোপা হোসেন।
ঈদের বিশেষ মিউজিক্যাল লাইভ এতো সুর এতো গান। ৭ দিনের এ আয়োজনে শিল্পীরা গাইবেন বাংলা গানের কালজয়ী সব গায়কদের হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া গানগুলো। আর গানের ফাঁকে ফাঁকে আড্ডায় তাদের কাছ থেকে শোনা যাবে চিরস্মরণীয় গান গুলো নিয়ে নানান রঙ্গিন গল্প।
এতো সুর এতো গান গানের ২য় দিনের আয়োজনে উপস্থিত থাকবেন সঙ্গীতশিল্পী আতিক ও লোপা হোসেন। তারা গাইবেন আধুনিক বাংলা গানের কিংবদন্তী দুই শিল্পী রুনা লায়লা এবং এন্ড্রু কিশোরের সাড়া জাগানো গানগুলো। এ গানগুলো নিয়ে দর্শকদের বিশেষ কোন তথ্য জানা থাকলে অথবা গানগুলো নিয়ে তাদের জীবনে বিশেষ কোন স্মৃতি বা অভিজ্ঞতা থাকলে তা ফোনে শেয়ার করতে পারবেন।
ফোন নম্বরগুলো হচ্ছে ৮৩৩২৫০৯ ও ৮৩৩২৭৫৪। দেবলীনা সুর-এর উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানটি সরাসরি প্রচারিত হবে বেলা ৩টায়।
ঈদের সাত দিনের ধারাবাহিক নাটক (ফিল্মি বাড়ি)
দেশ টিভিতে প্রচারিত হবে ঈদের ৭ দিন সন্ধ্যা ৬টায়।
পরিচালনা: ফয়সাল রাজিব (০১৯১২২২৪৪৪৪)
অভিনয়: জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়, শম্পা রেজা, প্রসুন আজাদ, অবিদ রেহান, রাজীব সালেহীন, দুখু সুমন, মার্শাল আরো অনেকে।
ঢাকা শহরে কিবরিয়া সাহেবের চারতলা বাড়ি। দুই ইউনিটের। দুতলার ফ্ল্যাটে তিনি থাকেন। স্ত্রী সাদিয়া এবং একমাত্র মেয়ে রানী। গ্রাম সম্পর্কের এক আশ্রিতা পারুল এ বাড়িতেই থাকে। বাড়ির কেয়ারটেকার কাম ম্যানেজার কাম বাজারসরদার কাম দারোয়ান মজনু। বাড়ির প্রতিটি সদস্যের মধ্যে ফিল্মি আচরণ অত্যন্ত প্রকট। প্রত্যেকের সংলাপ আচরণ অভিব্যাক্তিতে ফিল্মি অনুকরণ।
যৌবনে স্বমী স্ত্রী দুজনেরই চলচ্চিত্রের প্রতি ঝোক ছিলো। তাদের সেই স্বপ্ন পূরণ হয়নি। কাজেই একমাত্র মেয়েটিকে নিয়ে তাদের অনেক স্বপ্ন। রানী ফিল্মের নামকরা নায়িকা হবে। মেয়েকে নায়িকা বানাবার জন্যে তাদের প্রাণান্তকর চেষ্টা। তাদের নানারকম স্বপ্ন। কিন্তু অনেক চেষ্টা করেও তাদের স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে না। অগত্য তারা ঠিক করে তাদের বাড়ির প্রতিটিা ফ্ল্যাটে শুধু ফিল্মের লোকজনকে ভাড়া দেবে। স্বামী স্ত্রী মিলে সিদ্ধান্ত নিয়ে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন ছাপিয়ে দ্যায়, চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টদের জন্যে সহজ শর্তে বাড়ি ভাড়া।
সেই বিজ্ঞাপনে সাড়া দিয়েই, ভাড়াটিয়া হিসেবে বাড়িতে এসে ওঠে মেকাপম্যান সাজু, নৃত্য পরিচালক লাল্টু, ফাইটার লায়ন, প্লে-ব্যাক সিঙ্গার আমির জাহাঙ্গীর, ফ্যাশন ডিজাইনার উলালা, ক্যামেরাম্যান ডাবলু, পরিচালক ইএ (ইদ্রিস আলি), স্ক্রীপ্ট রাইটার আলাউল।
এই সব চরিত্রের রসে বাড়িটা যখন পুরুপুরি একটা ফিল্মি বাড়ি হয়ে ওঠে, কিবরিয়া সাহেব মেয়ে রাণীকে নিযে নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন। ভাড়িটিয়াদের সাহচর্যে নায়িকা হিসেবে রাণী প্রস্তুত। তার নতুন নাম করনও হয়। কিন্তু দরকার নতুন একজন নায়ক।
গ্রাম থেকে ভাগ্যের অনুসন্ধ্যানে শহরে আসে যুবক রতন। মজনুর সঙ্গে তার হঠাৎ পরিচয়। মজনুই তাকে এই বাড়িতে নিয়ে আসে। নায়ক হিসেবে রানীর তাকে পছন্দ হয়ে যায়। রতনের নামকরণ হয় রাকিব খান। শহরে টিকে থাকতে রতন এই বাড়িতে রাকিব খানের ভূমিকায় অবতীর্ন হয়।
ফিল্মি চরিত্রগুলোর হাস্যরস আর নানা ঘটনায় গল্প যখন এগুতে থাকে। রতনের হঠাৎ একটা চাকরী হয়ে গেলে রতন চলে যেতে চায়। ততদিনে রানী রতনের প্রেমে পড়ে গ্যাছে। রতনেরও কোন আপত্তি নেই কিন্তু রতনের মা কিছুতেই নায়িকা বউকে মেনে নেবে না। একদিকে রানীর বাবা মার স্বপ্ন। অন্যদিকে রতনের প্রেম। অগত্যা রানী রতনের সঙ্গে বাড়ি ছাড়ে প্রেমের টানে।
ঈদের বিশেষ নাটক: হ্যালো আব্বাজান...
প্রচারিত হবে ঈদের ২য় দিন রাত ৭টা ৪৫ মিনিটে
রচনা: মেজবাহউদ্দীন সুমন।
পরিচালনা: আরিফ এ আহনাফ
অভিনয়: সজল, স্বর্ণা, রহমত আলী প্রমুখ।
ঠাটারীবাজারের আলু বেপারী খোদা বক্স এর ছেলে মন্টু বক্স- ফিল্মেও নায়ক হবে। কিন্তু এটা কি কোন ভাবেই মেনে নেয়া যায়। হাজীর ছেলে করবে সিনেমা। সে বাধা দেয়। কখনো কখনো শুটিং স্পটে গিয়ে দৌড়ানো দেয়। বাপ ছেলের মাঝে চলে যুদ্ধ। কিন্তু পারমানেন্ট সমাধানটা কি? এদিকে খোদা বক্স তার ছেলের বউ হিসেবে কাউকে পছন্দ করতে পারেনা বলে মন্টু বক্সেও বিয়েটাও হচ্ছেনা।
বাধ্য হয়ে পুত্র নিজেই পাত্রী খুজতে গিয়ে পাশের বাড়ীর কচি মেয়েটির (চাদনী) সাথে প্রেম শুরু করে। কিন্তু আব্বাজানতো প্রেমের বিপক্ষে। তিনি প্রেম পিরিতি বন্ধের পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। মন্টু আর চাঁদনীর অবস্থা খারাপ, প্রেম করতে পারছেনা মন্টুর বাবার জন্য। আচমকা চাদনী একটা চমৎকার বুদ্ধি দেয়। আর তা হলো মন্টুর বাবাকে ফেসবুকের নেশা ধরিয়ে দেয়া। ব্যাস মন্টু উঠে পড়ে লেগে যায়। মন্টু সারাদিন বাসায় পড়ে থাকে। খোদা বক্স অবাক হয়ে যায়। ব্যাপার কি? ছেলে সারাক্ষণ ঘরে বসে থাকে। করেটা কি? অবশেষে নানাপ্রকার বুদ্ধির মাধ্যমে তিনি ফেসবুকের ব্যাপরাটা জানতে পারেন। নাহ্ ডিজিটাল যুগের এই বিতলাগুলিরে ধরতে হলে ডিজিটাল প্রযুক্তি জানতে হবে।
অতএব এটা শিখতে হবে। ছেলেকে নানা চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে তিনি ফেসুবক প্রযুক্তি আয়ত্বে আনেন। তারপর আসক্ত হয়ে যান ফেসবুকের নেশায়। এর মধ্যেই ফাতেমা নামক এক চলিশোর্ধ্ব মহিলার সাথে তার হেভি জমে গেলো। মহিলা একাকী থাকেন। সারাক্ষন তাই দুই একাকী মানুষ চ্যাট করা শুরু করলো। খোদা বক্স ফাতেমার সাথে চ্যাট করে। হাসে, আবার কেমন রাগ করে, আবার কেমন যেনো পিটপিট করে।
কি সব আশ্চার্য তার এক্সপ্রেশন। কি সব দূর্দান্ত সব সেলফি তুলেন তিনি! ধীরে ধীরে ফাতেমাকে ভালো লাগে বৃদ্ধর। বিষয়টা খোদা বক্স ফাতেমাকে জানায়। আর এরপর থেকেই আচমকা খোদা বক্সের প্রোফাইল থেকে ডিলিট হয়ে যায় ফাতেমা। পুরো শকড হয়ে পড়ে বৃদ্ধ। এবং ধীরে ধীরে অসুস্থ হয়ে পড়েন।
মন্টু ধীরে ধীরে বাবার ফেবু বন্ধুর কথা জানতে পারে। আচমকা সে রিয়েলাইজ করে আসলেই তো তার বাবা ভীষণ একা। আর এদিকে বাবাও রিয়েলাইজ করতে পারে তার ছেলেটাও একা। তারও সঙ্গী দরকার। একজন ফেসবুক ফ্রেন্ডের সাথে কথা না হওয়াতেই তার নিজের যদি এতো খারাপ অবস্থা হয় তো তার ছেলে যে ভালোবাসার মানুষের থেকে দুরে আছে তার অবস্থাও অনুমেয়। এদিকে জানা যায় ফাতেমা আসলে আর কেউ না..চাদনীর এক দুর সম্পর্কের খালা।
মন্টুর কথায় খালা আবার তার প্রোফাইল চালু করে একটা মেসেজ দেয় খোদা বক্সকে। সাথে সাথে ফেসবুকের আরেক প্রান্তে বসে থাকা খোদা বক্স মেসেজটা পেয়ে লাফ দিয়ে উঠে। তারপর আর কি? শুনেছি মন্টু বক্স’র বিয়েও খুব শীঘ্রই। আর খোদা বক্স এলাকায় একটা সাইবার ক্যাফে চালু করবেন।
ঈদের বিশেষ অনুষ্ঠান: ফেস টু ফেস: অনন্ত জলিল
(রাত ৯:০০)
বাংলা চলচ্চিত্রের অসম্ভবকে সম্ভবকারী নায়ক অনন্ত জলিল এই প্রথম এক ভিন্নরূপে আবির্ভুত হচ্ছেন ছোট পর্দায়। দেশ টিভিতে এবারের ঈদে থাকছে ৭ দিনের বিশেষ আয়োজন ‘‘ফেস টু ফেস: অনন্ত জলিল”, এ অনুষ্ঠানে উপস্থাপকের ভুমিকায় অবতীর্ণ হচ্ছেন অনন্ত জলিল। এ্যাকশন-রোমান্টিকধর্মী এযাবত মুক্তি পাওয়া ছয়টি চলচ্চিত্রের মাধ্যমে সারা দেশে আলোচনার শীর্ষে আছেন তিনি।
বস্তুত চলচ্চিত্রের নিয়মিত দর্শক, ‘অনিয়মিত দর্শক’, সাংবাদিকসহ সকল মহলের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন অনন্ত জলিল। তার অভিনয় এবং নির্মানশৈলী বাংলা চলচ্চিত্রে যোগ করেঝে এক নতুন মাত্রা এবং বিস্ময়কর প্রযুক্তির ব্যবহারে তার প্রতিটি চলচ্চিত্র হয়ে উঠেছে মনোমুগ্ধকর এবং আলোচিত।
এ বহুল জনপ্রিয় অভিনেতার উপস্থাপনায় নিয়ে দেশ টিভি নির্মান করেছে ভিন্নধর্মী আয়োজন ‘‘ফেস টু ফেস: অনন্ত জলিল”। এ অনুষ্ঠানে উপস্থাপকের ভুমিকায় অনন্ত আলাপচারিতায় মেতে উঠবেন দেশের বিভিন্ন অঙ্গনের স্বনামধন্য ব্যাক্তিত্বদের সাথে। এর মাঝে রয়েছেন জনপ্রিয় অভিনয় শিল্পী, রাজনীতিবিদ, সংগীতশিল্পী, লেখক, বুদ্ধিজীবি প্রমুখ।
চিত্রনায়ক অনন্ত জলিল-এর উপস্থাপনায় ব্যাতিক্রমধর্মী অনুষ্ঠান ‘‘ফেস টু ফেস: অনন্ত জলিল” প্রচারিত হবে ঈদের ৭ দিন, অর্থ্যৎ ৬ অক্টোবর থেকে ১২ অক্টোবর প্রতিরাত ৯টায়, শুধুমাত্র দেশ টিভিতে।
মিউজিক্যাল লাইভ: কল-এর গান (রাত ১০:০০)
শিল্পী: উজ্জায়নী মুখার্জী
বাংলা, হিন্দি এবং তেলেগু চলচ্চিত্রে গান করে ব্যাপক শ্রোতাপ্রিয়তা পাওয়া গায়িকা উজ্জয়নী মুখার্জী। সারেগামাপা অনুষ্ঠানের ফাইনালিস্ট উজ্জয়িনী খুব অল্প সময়েই প্লে-ব্যাকে প্রবেশ করেন, এবং বাজিমাত করেন। সমকালীন উপমহাদেশীয় চলচ্চিত্রের নতুন কন্ঠ উজ্জয়িনী এক নতুন সেন্সেশন।
বাংলাদেশে এই প্রথম সংগীত পরিবেশন করতে আসছেন উজ্জয়নী মুখার্জী। আসছে ঈদে দেশ টিভির বিশেষ কল-এর গান অনুষ্ঠানে। তানিয়া হোসেন-এর উপস্থাপনায় সরাসরি সম্প্রচারিত অনুষ্ঠান কল-এর গানে গাইবেন উজ্জয়িনী ঈদের ২য় দিন রাত ১০ টায়।
দর্শকরা সরাসরি ফোনে কথা ও অনুরোধের গান শুনতে পাবেন ৮৩৩২৫০৯ বা ৮৩৩২৭৫৪ এই নাম্বারে ফোন করে।