সাধুর হাটে সাধুর আরাধনা। লালনের মর্মবাণী উপলব্ধি অতঃপর খাঁটি মানুষ হওয়ার চেষ্টা। কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়ার মতো এমন সাধুর হাট আর কোথায় আছে! বাউল সম্রাট ফকির লালন শাহের ১২৪ তম তিরোধান দিবস উপলক্ষে সাঁইজির আখড়াবাড়ীতে সাধুর হাট নিয়ে কুষ্টিয়ায় বসেছে লালন মেলা।
ফকির লালন শাঁই! জাত, ধর্ম ছাপিয়ে মানব প্রেমের চেতনা ছড়িয়ে গেছেন আজীবন। গেয়েছেন মানবতার গান। মহান এ সাধককে ঘিরে তিরোধামে যোগ দিতে দূর-দূরান্তে থেকে কুষ্টিয়ার ছেউরিয়ায় এসেছেন তার ভক্ত-অনুরাগীরা। অধিবাস, বালক সেবা এবং পূর্ণ সেবার মধ্য দিয়ে শুরু হলো ছেউরিয়ায় আগত বাউলদের মূল অনুষ্ঠান। চলছে সাঁইজির আরাধনা। সোনার মানুষ হও, পরম পুরুষের নৈকট্য লাভের সাধনায় মগ্ন বাউলরা।
সাদা কালো, গেরুয়া কাপড়, মাথায় পাগড়ী আর ‘আশা’ হাতে হাজার হাজার ভক্ত মেতে আছেন বাউল সঙ্গীতে। উৎসবে আগতরা মনে করেন, ফকির লালন সম্পর্কে জানতে হলে আসতে হবে সাঁইজির ধামে। সঙ্গ করতে হবে সাধুগুরুর।
এদিকে, ৫দিনব্যাপী লালন তিরোধাম দিবসকে ঘিরে কালীনদের পাড়ে বসেছে গ্রামীণ মেলা।