আজ ৬ ডিসেম্বর। মরমী কবি হাসন রাজার ৯২তম মৃত্যুবার্ষিকী। কিন্তু জমিদার থেকে মরমী কবি হয়ে ওঠা হাসন রাজার মৃত্যুবার্ষিকীর দিনটি অনেকটাই নিরবে পালন করা হয়। সরকারিভাবে হাসন রাজার জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী পালনের দাবি তার পরিবার ও ভক্তদের।
"লোকে বলে বলেরে, ঘরবাড়ি ভালা না আমার", "মাটিরও পিঞ্জিরার মাঝে বন্দী হইয়া রে, কান্দে হাসন রাজার মন ময়না রে".এমন অসংখ্য গানের রচয়িতা হাসন রাজা। সুফি দর্শনের সাথে নিজস্ব চিন্তার সমন্বয়ে সহজ-সরল আঞ্চলিক ভাষায় তিনি রচনা করেন পাঁচ শতাধিক গান।
১৮৫৪ সালের ২১ ডিসেম্বর সুনামগঞ্জের লক্ষ্মণশ্রী গ্রামে জমিদার পরিবারে জন্ম নেন হাসন রাজা। পরিবারের নিয়ম অনুযায়ী তিনি প্রথমে আরবী ও পরে বাংলা ভাষায় পড়াশোনা করেন। ছোট বেলা থেকেই গানের জগতে জড়িয়ে পড়েন। ছুটে যেতেন গানের আসরে, গায়কী দল নিয়ে বের হতেন নৌকা ভ্রমণে। মন বসেনি জমিদারিতে তাই নিজেকে উৎসর্গ করেন মরমী সাধনায়। ১৯২২ সালের এই দিনে মারা যান হাসন রাজা।
এ মরমী সাধকের মৃত্যুবার্ষিকীতে পারিবারিকভাবে তাঁকে স্মরণ করা হলেও সরকারিভাবে কোনো অনুষ্ঠানের আয়োজনই করা হয়না। তাঁর জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী সরকারিভাবে পালনের দাবি পরিবার হাসন ভক্তরা ও সুনামগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাংস্কৃতিক কর্মকর্তা আহমেদ পাভেল চৌধুরী।