জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাওয়া অভিনেতা খলিল উল্লাহ খান আর নেই।
রোববার রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল ১০টায় মৃত্যুবরণ করেন তিনি। তাঁর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন তার ছেলে খালেদ খান। তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।
পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও বাংলাদেশ টেলিভিশন এবং বেতারে অসংখ্য নাটকে অভিনয় করেছেন গুণী এ শিল্পী।
এবছরের ১১মে বিশিষ্ট অভিনেতা খলিল উল্লাহ খানের আজীবন চিকিৎসার ব্যয়ভার নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০১২ প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ ঘোষণা দেন। খলিল উল্লাহ খানকে আজীবন সম্মাননায় ভূষিত করা হয়।
খলিল উল্লাহ অসংখ্য বাংলা চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। প্রয়াত পরিচালক আলমগীর কুমকুম পরিচালিত ‘গুন্ডা’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান তিনি। প্রায় ৮০০ ছবিতে অভিনয় করেছেন এই গুণী অভিনেতা। ২০১২ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের আজীবন সম্মাননা অর্জন করেন তিনি।
বেলা ৩টায় এফডিসিতে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। বাদ এশা রাজধানীর মোহাম্মদপুরের সলিমুল্লাহ রোডে পারিবারিক কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন এ গুণী অভিনেতা। ১৯৩৪ সালের ১ ফেব্রুয়ারি সিলেটে জন্মগ্রহণ করেন খলিল উল্যাহ্ খান। পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র অঙ্গনে ছিল তার পদচারণা। ১৯৫৯ সালে জহির রায়হান পরিচালিত 'সোনার কাজল' এ অভিনয়ের মধ্য দিয়ে রূপালি পর্দায় তার পদার্পণ। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র 'প্রীত না জানে রীত', 'সঙ্গম', ভাওয়াল সন্ন্যাসী' ইত্যাদি। চলচ্চিত্র শিল্পে বিশেষ অবদানের জন্য ২০১২ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে আজীবন সম্মাননা পান তিনি।