বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশনের চলমান নিয়োগ প্রক্রিয়ার কারণেই সৃষ্টিশীল মানুষ খুঁজে পাওয়া যায় না--ফলে এ দুইটি প্রতিষ্ঠান তাদের জনপ্রিয়তা হারাতে বসেছে বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতি মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। বুধবার বাংলাদেশ বেতারের হীরক জয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানের মান নিশ্চিত করা গেলে বাংলাদেশ বেতার আবার তার জনপ্রিয়তা ফিরে পাবে বলেও জানান সংস্কৃতি মন্ত্রী।
কিছু সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করে আসাদুজ্জামান নূর বলেন, অন্য দপ্তরের চেয়ে বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনের নিয়োগ প্রক্রিয়া ভিন্ন হওয়া দরকার। বেতার টেলিভিশনে স্বায়ত্ত্ব শাসন প্রতিষ্ঠা করা হলে তাদের সংবাদ ও অনুষ্ঠানের মান ধরে রাখা সম্ভব হবে।
তিনি আরো বলেন, কর্মকর্তা-কর্মচারিদের বিভিন্ন সুবিধা বৃদ্ধি না করা ও অনুষ্ঠানে বৈচিত্র্যের অভাব শ্রোতাপ্রিয়তা হ্রাসের অন্যতম কারণ।
এদিকে, নানা অভিজ্ঞতা ঐতিহ্যে তিনকালের সাক্ষী বাংলাদেশ বেতার। ১৯৩৯ সাল থেকে সহজে সব মানুষের কাছে তথ্য বিনোদন পৌঁছে দেয়ার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় এ মাধ্যমটির ভূমিকা ছিল অসামান্য। শুধু তাই নয় এ দেশের জন্ম সংগ্রামেরও অবিচ্ছেদ্য অংশ বাংলাদেশ বেতার। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পাল্লা দিতে বাংলাদেশ বেতারের পাশাপাশি জায়গা করে নিয়েছে এফএম রেডিও।
আধুনিক প্রযুক্তি সম্পন্ন বেসরকারি এফএম রেডিওয সঙ্গে পাল্লা দিতে গিয়ে অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছে বাংলাদেশ বেতার। অনুষ্ঠানের বর্তমান মান শ্রোতাদের কাছে খুব একটা সাড়া ফেলতে না পারায় দিন দিন তার অতীত জনপ্রিয়তা হারিয়ে ফেলছে।