বসন্ত জাগ্রত দ্বারে আজ (শুক্রবার)। বাংলা ১৪২১ সনের শেষ ঋতু বসন্তের প্রথম দিন, এসেছে পলাশ-শিমুলের আগুন ঝরানো ফাগুন দিন। নবীন ফাল্গুন দিনে কোকিলের ডাকে বসন্ত বরণের উন্মাদনা। ফাগুনের পলাশরাঙা দিনের সঙ্গে দ্রোহী তারুণ্যের বাঁধভাঙা আবেগের জোয়ার মিলেমিশে একাকার বসন্তের প্রথম সকাল।
রাজধানীসহ সারাদেশে বাসন্তীবসনে, নাচে-গানে চলছে ঋতুরাজ বসন্ত আবাহন। রাজনৈতিক অঙ্গনেও বইবে বসন্তের সুবাতাস এমন প্রত্যাশাও অনেকের। আমের মুকুল, রক্তিম পলাশ আর কোকিলের কুহুতান জানান দিচ্ছে, এসেছে ঋতুরাজ বসন্ত। দিকে দিকে তারই আগমনী বার্তা।
ঋতুরাজের ডাকে সাড়া দেয়না, এ সাধ্য কার? বসন্তবরণে তাই সকাল থেকেই নগরবাসীর নানা প্রস্তুতি। ইট-পাথরের নগরীতে প্রকৃতির ঋতুরাজ সেভাবে ধরা না দিলেও তার রং লেগেছে সবার মনে। আর সে ডাকে সাড়া দিতেই ছুটে আসা চারুকলার বকুল তলায়।
বসন্ত নিয়ে কবি, লেখক, শিল্পীদের মাতামাতি ফুটে ওঠে কবিতার ছন্দে আর গানে গানে। শুধু ফাল্গুনের আনন্দই নয়, এবার বসন্তকে অনেকেই স্বাগত জানিয়েছেন গভীর দেশ প্রেমের আবেগে। চাইছেন রাজনৈতিক সমঝোতা।
কবি, লেখক, শিল্পীদের কবিতায়-গানে, সুরে; বসন্ত-বন্দনায় ধ্বণিত হয় গণমানুষেরই হৃদয়ের প্রতিধ্বনি। বছরের দুয়েকটা দিনের সূর্য ওঠে অন্যরকম বার্তা নিয়ে। সেই দিনটা শুধুই আনন্দের, উচ্ছাসে গা ভাসানোর। তা সে ফুল ফুটুক আর নাই ফুটুক বসন্তে।