মানুষের মাঝেই তাদের বিচরণ। তবে, ক্ষমতা মানুষের চেয়ে ঢের বেশি। কারও উদ্দেশ্য মানুষের ক্ষতি করা, কেউ বা বন্ধু। মানুষের চেয়ে ভিন্ন হওয়ায় তাদের নামও ভূত, ড্রাকুলা বা ডাইনিবুড়ি।
অমর একুশে গ্রন্থমেলার প্রায় প্রতিটি স্টলেই রয়েছে তাদের অস্তিত্ব। বাস্তবে নয়, কাগজের পাতায় পাতায় যেন স্থান করে নিয়েছে তারা।
সুনসান, নির্জন একটি বন, কুয়াশা আর বড় বড় গাছে ঘেরা। মাঝে একটি পানির কূপ। কূপের ভেতর থেকে বেরিয়ে এল একটি মেয়ে। হঠাৎ মেয়েটি ধীরে ধীরে বইয়ের পাতা থেকে যেন বের হয়ে আসে বাস্তব জগতে। কিংবা ড্রাকুলার মরণ থাবা থেকে নিজেকে বাঁচানোর তাগিদ। এমন সব রোমাঞ্চকর কল্পকাহিনী নিয়ে লেখা হয় ভৌতিক গল্পগুলো। রক্তচোষা প্রেতাত্নার গল্প পড়ে নিমিষেই যেন ভয়ে রক্ত হিম হয়ে আসে।
ভৌতিক রাজ্যে শিশুরাও চায় বিচরণ করতে। তাদের আনন্দ প্রকাশ পায় যখন গল্পের কোনো চরিত্রের হাতে অশরীরী অস্তিত্ব শেষ হয়ে যায়। আবার তা যদি বন্ধু হয় তবে তার বিপদে ক্ষুদে পাঠকটিও যেন দিশেহারা হয়ে পড়ে।
একুশের বইমেলার প্রায় প্রতিটি স্টলেই দেখা গেল ভৌতিক বই। রোমাঞ্চ ও অ্যাডভেঞ্চারে ভরা এসব বই পাঠকের পছন্দ হওয়ায় বিক্রিও ভাল হয়।
বইয়ের স্টলগুলোর মতোই বটতলার নজরুল মঞ্চ সরব ছিলো নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচনে।