সোনালি ক্ষেতে সূর্যের কিরণ কুয়াশা মাখা ধানের শীষে হেমন্তের সকালে যে সৌন্দর্য সৃষ্টি করে, তা আমাদের উৎসবের কথা মনে করিয়ে দেয়। আবহমানকাল থেকেই কৃষকরা চাষের পর সার্থকতা খুঁজে পান ফসল কাটা ও মাড়াইয়ের মাধ্যমে। বাতাসে ভেসে বেড়ায় কাঁচাধানের ঘ্রাণ। এই নতুন ধানের ফসল দিয়েই শুরু হয় নতুন উৎসব। এরই নাম নবান্ন উৎসব।
দীর্ঘকাল ধরে চলে আসা এই নবান্ন এখন আর শুধু গ্রামের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। এখন শহুরে জীবনেরও অংশ হয়ে উঠেছে এ উৎসব। বাঙালির পরিচায়ক হিসেবে অনন্য এই উৎসব।
‘এসো মিলি সবে নবান্নের উৎসবে’ স্লোগানকে সামনে রেখে চলছে নবান্ন উৎসবের প্রস্তুতি। জাতীয় নবান্ন উৎসব উদযাপন পরিষদের আয়োজনে প্রতিবারের মতো পহেলা অগ্রহায়ণ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার বকুলতলায় হবে নবান্ন উৎসব। আগামী ১৫ নভেম্বর নবান্ন উৎসব উদ্বোধন করবেন সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী।
এবারের আয়োজনকে ভাগ করে হয়েছে দুটি অনুষ্ঠান সূচিতে। প্রথম পর্বে সকাল ৭টা থেকে শুরু হয়ে উৎসব চলবে সকাল ৯টা পর্যন্ত। শুরুতে চারুকলার বকুলতলায় উদ্বোধনের পর বের হবে শোভাযাত্রা।
দ্বিতীয় পর্বের আয়োজন বিকেল ৩টা থেকে শুরু হয়ে চলবে রাত ৯টা পর্যন্ত। এ সময় থাকবে নাচ, গান, আবৃত্তি, নবান্ন কথন, রায়বেঁশে নাচ ও আদিবাসীদের পরিবেশনা।