সরকারি নির্দেশ থাকলেও নাটোরের অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নেই শহীদ মিনার।
শিক্ষার্থীদের দাবি সত্ত্বেও ভাষা শহীদদের স্মরণে শহীদ মিনার স্থাপনে কর্তৃপক্ষ কোনো উদ্যোগও নিচ্ছে না। এদিকে, আগামী ২১ ফেব্রুয়ারির আগেই ওই সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নির্মানের নির্দেশ দিয়েছে জেলা শিক্ষা অফিস।
বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনে উত্তাল ছিল নাটোরের রাজপথ। মিছিল-মিটিংয়ে শ্লোগানে সোচ্চার ছিল ছাত্র-জনতা।
ভাষা আন্দোলনে শহীদদের স্মরণে শহরের কানাইখালী স্টেডিয়াম এলাকায় জেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মাণ করা হয় নব্বইয়ের দশকে। তৎকালীন জেলা প্রশাসক শৈলেন্দ্র কুমার অধিকারী ও পৌর মেয়র আমিনুল হক গেদুর উদ্যোগে এ শহীদ মিনার নির্মিত হয়।
কিন্তু ভাষা আন্দোলনের দীর্ঘ ৬৪ বছর পরও নাটোর জেলার প্রায় ১২০০ বিদ্যালয়ের অধিকাংশগুলোতেই নেই কোনো শহীদ মিনার। সরকারি নির্দেশ জারির পরও কোনো উদ্যোগ নেয়নি এসব বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
দিঘাপতিয়া পি এন উচ্চ বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক আব্দুল মজিদ বলেন, শিগগিরই এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সচেতন শিক্ষকরা বলছেন, নতুন প্রজন্মের কাছে ভাষা আন্দোলনের গৌরবময় তাৎপর্য তুলে ধরতে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার স্থাপন প্রয়োজন।
নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার স্থাপনের দাবি এখানকার শিক্ষার্থীদেরও।
জেলার প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নির্মাণের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বলে জানান জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোকছেদুল ইসলাম।
দেশটিভি/আরসি
দেশ-বিদেশের সকল তাৎক্ষণিক সংবাদ, দেশ টিভির জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখতে, সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল: