কাল অমর একুশে—বিনম্র শ্রদ্ধায় জাতি স্মরণ করবে ভাষা-শহীদদের। বাঙালি জাতিসত্তার চেতনাগত উন্মেষের দিনটি এখন দুনিয়াজোড়া মাতৃভাষা দিবস। বায়ান্নর ভাষা শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে প্রস্তুত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার। একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে পুষ্পার্ঘ্য নিবেদনের মধ্যে দিয়ে শুরু হবে ভাষা দিবসের কর্মসূচি।
আবার এসেছে অমর একুশে। বছরঘুরে যেভাবেই আসুক দিনটি; প্রতি ফাল্গুনে- প্রতি বসন্তের বাতাসে আর পলাশ-শিমুলের লালছোঁয়া প্রকৃতি স্মরণ করায় মায়ের ভাষার জন্য রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ের ইতিহাসকে। একুশের পরিচয় বাংলা, বাঙালি ও বাংলাদেশের আত্মপরিচয়ের উন্মেষ হিসেবেই.
ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে পুরোপুরিভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার। একুশের প্রথম প্রহরে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পুষ্পার্ঘ্য নিবেদনের মধ্যে দিয়ে শুরু হবে মূল কর্মসূচি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের শিক্ষার্থীরা এখন ব্যস্ত শহীদ মিনার সংলগ্ন এলাকা আল্পনার রঙে রাঙাতে।
শুধু কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নয় রাজধানীসহ পুরো দেশই শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে প্রস্তুত। রাজধানীর পুরানা পল্টন গার্লস কলেজে শনিবার নবনির্মিত শহীদ মিনারের উদ্বোধন করেন বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন।
ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগ স্মরণে রাজধানীর পরিবাগে দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে নির্মাণ করা হয়েছে জননী ও গর্বিত বর্ণমালা শিরোনামে একটি ভাস্কর্য্য।
শনিবার ভাস্কর্য্যের উদ্বোধন শেষে দক্ষিণের মেয়র সাঈদ খোকন বলেন, আগামী শহীদ দিবসের আগেই ঢাকা দক্ষিণের একটি পার্ককে ভাষা শহীদদের স্মরণে ২১শে পার্ক নামকরণ করা হবে।