অমর একুশের গ্রন্থমেলা শেষ হচ্ছে কাল। তবে, বাংলা একাডেমির বিরুদ্ধে অব্যবস্থাপনা ও অনিয়মের অভিযোগ তুলে প্রকাশকরা দাবি করেছেন, আগামী বছর থেকে নিজেরাই দায়িত্ব নিতে চান বইমেলা আয়োজন ও পরিচালনার।
তবে বাংলা একাডেমি কর্তৃপক্ষ বলছে, প্রশাসন চাইলে এতে কোনো আপত্তি নেই তাদের।
সবকিছু চলছিল ঠিকঠাকই? তবে বিপত্তি বাধে মধ্য ফাল্গুনের শিলাবৃষ্টি আর ঝড়ে। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি শিলাঝড়ে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ে বইমেলার স্টলগুলো।
আর এ ক্ষয়-ক্ষতির জন্য প্রকৃতির চেয়ে কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনাকে দায়ী করেছেন প্রকাশক ওসমান গণি ও মৃণাল কান্তি নাথ। তাদের অভিযোগ এমন ছোট খাটো বিপত্তি প্রতি বছর হলেও কোনো টনকই নড়ছে বাংলা একাডেমির। উন্নত হচ্ছে না ব্যবস্থাপনা।
তাদের অভিযোগ: পাইরেটেড ও বিদেশি লেখকদের বই বেআইনীভাবে বিক্রি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ না নেয়া। বিভিন্ন এনজিওকে স্টল বরাদ্দ দেয়া। পর্যাপ্ত আলো এবং পানীয় জলের অভাব। কোনো কোনো প্রতিষ্ঠানকে অতিরিক্ত সুবিধা দেয়া। বরাদ্দকৃত স্টলের বিন্যাসে অনিয়ম।
বইমেলায় অব্যস্থাপনার এমন ১২ টি অভিযোগ এনে সম্প্রতি বাংলা একাডেমির মহাপরিচালকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে প্রকাশকদের সংগঠন, বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতি।
তবে, এসব অভিযোগ সঠিক নয় বলে মনে করছেন অমর বাংলা একাডেমির সদস্য সচিব ড. জালাল আহমেদ।
তিনি বলেন, প্রকাশকরা চাইছেন আগামী বইমেলার আয়োজন ও পরিচালনার দায়িত্ব দেয়া হোক তাদের কাছেই। প্রশাসন চাইলে এ দায়িত্ব প্রকাশকদের হাতে ছেড়ে দিতে কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছে বাংলা একাডেমির এ কর্তৃপক্ষ।